
পুণ্যবানরা কেন প্রভুর সান্নিধ্যে যেতে ব্যাকুল থাকেন
ব্যাকুলতা অর্জনের জন্য প্রথম শর্ত আল্লাহকে চেনা, যাকে বলে ‘মারেফাত’। যখন মানুষের অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিত হয়, তখন সে বিপদের মাঝেও আল্লাহর দান দেখতে পায়।

ব্যাকুলতা অর্জনের জন্য প্রথম শর্ত আল্লাহকে চেনা, যাকে বলে ‘মারেফাত’। যখন মানুষের অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিত হয়, তখন সে বিপদের মাঝেও আল্লাহর দান দেখতে পায়।

ইসলামের বিধান হলো, অর্থের বাহ্যিক বৈধতা নয়, উৎসই মূল বিষয়। ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী এটি কয়েকটি হারাম বিষয়ের সমষ্টি: অন্যায় উপার্জন, প্রতারণা, ঘুষ ও তথ্য গোপন।

প্রেমময় এই হজ মুমিনের আজন্ম লালিত স্বপ্ন। একজন মুমিন সারাজীবন পবিত্র কাবার সান্নিধ্য পাওয়ার স্বপ্ন লালন করে যায়।

ইসলাম হালাল উপার্জনের উপর কঠোর জোর দিয়েছে, যা দোয়া কবুল, বিপদ থেকে রক্ষা এবং সন্তানের নেককারিতার মতো বহুমুখী সুফল নিয়ে আসে। হাদিসের আলোকে এর দুনিয়া-পরকালীন উপকারিতা তুলে ধরা হয়েছে। হারাম রিজিক দোয়ার পথ বন্ধ করে দেয়।

ফিতনা শুধু কষ্ট বা বিপদ নয়, বরং ভালো অবস্থাও এক ধরনের পরীক্ষা হতে পারে। এর মাধ্যমে মানুষের ইমান, ধৈর্য ও সত্যনিষ্ঠা প্রকাশ পায়।

কিছু ক্ষেত্রে যেমন বিমানবন্দর, উন্নত মানের হোটেল বা নির্দিষ্ট পাবলিক স্থানে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই সরবরাহ করা হয়।

হাজিদের কাছে দোয়া চেয়ে তাঁদের খরচে অর্থ দেওয়া সমাজে প্রচলিত। শরিয়তে এটি হাদিয়া বা সদকা হিসেবে জায়েজ, তবে চুক্তিভিত্তিক ব্যবসা নয়। ইসলাম এতে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের নিদর্শন দেখে।

মহানবী (সা.) বলেছেন, প্রতিটি ভালো কাজই সদকা। ধনী-দরিদ্র সবার জন্য দৈনন্দিন কাজগুলো পুণ্যের পথ খুলে দিয়েছে। হাদিসের আলোকে সদকার বিস্তৃত রূপ তুলে ধরা হয়েছে।

রমজানে দান-সদকা অন্যের রোজা, নামাজ ও জিকিরের সহায়ক হয়ে ওঠে; ফলে সাহায্যকারী ব্যক্তি পরোক্ষভাবে ঐ সব ইবাদতের অংশীদার হয়ে যায়।

এখানে ‘সদকা’ মানে হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে সওয়াব বা পুরস্কার। যদি কেউ সওয়াবের নিয়তে ভালো কাজ করে, তবে সে নিশ্চিতভাবে পুরস্কার পাবে।

ফারসি ‘শবে বরাত’ শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। তবে হাদিসের পরিভাষায় এই রাত ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বা মধ্য-শাবানের রজনী হিসেবে পরিচিত।

ইসলামি স্কলারদের মতে, জ্ঞান হলো একটি নুর, যা আল্লাহ কেবল পবিত্র হৃদয়েই দান করেন। পাপের অন্ধকার হৃদয়ে প্রবেশ করলে জ্ঞানের আলো নিভে যায়।