
বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা, স্বেচ্ছাসেবক দলের ৯ নেতাকে শোকজ
মানিকগঞ্জ-১ (শিবালয়-ঘিওর-দৌলতপুর) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালানোর অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৯ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

মানিকগঞ্জ-১ (শিবালয়-ঘিওর-দৌলতপুর) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালানোর অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৯ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের উদ্যোগে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার আমতলী বাজার এলাকায় দুই শতাধিক অসহায়, দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ এবং মাদ্রাসার শিশুদের মাঝে শীতের কম্বল বিতরণ করা হয়।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আবদুর রহমান ওরফে শামীম হত্যা মামলার প্রধান আসামি জামায়াত নেতাসহ দুজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

৫৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, পাটখেতের আলের পাশে একটি শিমুলগাছের নিচে পলিথিনের ওপর ১২ জন এলোমেলোভাবে বসে ও শুয়ে আছেন।

কুষ্টিয়ার মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতে থেকে দেশে ফিরেছেন। পরিবার ফেসবুকে তাঁর সন্ধান পায়।

এ নিয়ে এ পর্যন্ত এজাহারভুক্ত একজন আসামিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

কুষ্টিয়ায় পীর শামীম হত্যায় জড়িত অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত, তদন্ত চলছে।

পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্র থেকে বের হয়ে তাদের অভিভাবকদের বিষয়টি জানালে তাঁরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। শিক্ষার্থীরা কান্না করতে থাকে।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আবদুর রহমানকে হত্যার অভিযোগে কাঠমিস্ত্রি রাজীব দফাদারকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের। অজ্ঞাতনামা ২০০ জনের নাম উল্লেখ, পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। দরবার ভাঙচুর করে ২০ লাখ টাকার ক্ষতি ও চুরি হয়েছে।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আবদুর রহমান ওরফে শামীমের দরবারে হামলা ও হত্যার ঘটনায় ১৯ জন শনাক্ত হয়েছে, অনেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত। পীরের ঘরের দরজা ভেঙে আঘাতকারী রাজিব দফাদার নামে এক কাঠমিস্ত্রিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এখনও কোনো গ্রেপ্তার হয়নি।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আবদুর রহমান হত্যার ঘটনায় পরিবার মামলা করবে না বলে জানিয়েছেন তাঁর ভাই ফজলুর রহমান। পুরোনো ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় ক্ষুব্ধ জনতা হামলা চালিয়ে তাঁকে হত্যা করে। ৪৮ ঘণ্টায় কোনো আটক হয়নি।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীরের হত্যায় খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। তিনি আইনের হাতে নেওয়া এবং সহিংসতা নিন্দা করেছেন। ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্রও ঘটনাকে আইনশাসনের অভাবের ফল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।