
ইরান নিয়ে উত্তেজনা, বিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দাম
আজ মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৬৪ ডলার ১৫ সেন্ট। ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ছিল ৫৯ ডলার ৭৮ সেন্ট।

আজ মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৬৪ ডলার ১৫ সেন্ট। ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ছিল ৫৯ ডলার ৭৮ সেন্ট।

গত ২৮ জুন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ আহ্বান জানায় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।

বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।

এশিয়ার বাজারে আজ বুধবার দিনের শুরুতেই জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, ভোজ্যতেলের দাম আপাতত বাড়ছে না। সরকার শুল্কছাড়ের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের টিকিয়ে রাখার চিন্তা করছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও এনবিআর-এর সঙ্গে আলোচনা চলবে।

কল্যাণপুরের সাজেদুল ইসলামের সপ্তাহের বাজারে খরচ বেড়েছে ২১০ টাকা, মাসিক ৮৫০ টাকা। টিসিবির তথ্যে গত মাসে আটা, তেল, ডাল, পেঁয়াজ, মুরগি, ডিমের দাম বেড়েছে। বিবিএস-এর হিসাবে এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি ৯.০৪ শতাংশ।

বাংলাদেশে জ্বালানি, তেল ও খনিজ সম্পদ প্রকৌশলে পড়ার সুযোগ সীমিত হলেও বিশ্বব্যাপী দক্ষ জনবলের চাহিদা বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়ে স্নাতক-স্নাতকোত্তর কোর্স রয়েছে। চাকরির বাজার সংকীর্ণ হলেও বিদেশে সম্ভাবনা উজ্জ্বল।

জ্বালানি সংকটে ঢাকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন। রাইড শেয়ার চালক দেলোয়ার হোসেন বাইক রেখে রিকশা চালানোর কথা ভাবছেন। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে তেলের বাজার অস্থির হওয়ায় চালকদের আয় কমেছে।

আজকের লড়াইটা কেবল সম্পদের নয়, প্রবাহের ওপর নিয়ন্ত্রণের। আর এই লড়াইকেই বলা যায় ‘রুট–যুদ্ধ’। এই যুদ্ধের কোনো দৃশ্যমান যুদ্ধক্ষেত্র নেই। কিন্তু প্রতিটি চুক্তি, প্রতিটি পাইপলাইন প্রকল্প, প্রতিটি রুট পরিবর্তনের মধ্যে লুকিয়ে থাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। এখানে রাষ্ট্রগুলো এমনভাবে জ্বালানি করিডর তৈরি করতে চায়, যাতে তাদের প্রভাব বাড়ে, প্রতিপক্ষের বিকল্প কমে এবং ভবিষ্যতের বাজার তাদের নিয়ন্ত্রণে আসে।

হরমুজ প্রণালি খুললেও বৈশ্বিক তেলবাজারে স্বস্তি ফেরেনি। মজুতের সংকট, সরবরাহে বিলম্ব ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা এখনো রয়ে গেছে।

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ হাতে রেখে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে কৌশলগত সুবিধা ধরে রেখেছে। বিশ্ব তেল বাজারে উদ্বেগ কমলেও অনিশ্চয়তা অব্যাহত। ইরান এখন জাহাজ থেকে মাশুল আদায়ের পরিকল্পনা করছে।

ইরান যুদ্ধের কারণে জাহাজ পরিবহনের খরচ বেড়েছে। সেই বাড়তি ব্যয় শেষমেশ ভোক্তাদের ওপরই চাপানো হবে—বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিপিং কোম্পানির প্রধান বিবিসিকে এ কথা বলেছেন।