
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ থেকে কী ধরনের শিক্ষা নিতে পারে চীন
চীনের নিজেদের শক্তি সম্পর্কে ভুল ধারণা রাখা ঠিক হবে না। দেশটির উচিত, নিজেদের অভিজ্ঞতার অভাবকে গুরুত্বসহকারে নেওয়া এবং এই সংঘাতের ফলাফলকে ছোট করে না দেখা।

চীনের নিজেদের শক্তি সম্পর্কে ভুল ধারণা রাখা ঠিক হবে না। দেশটির উচিত, নিজেদের অভিজ্ঞতার অভাবকে গুরুত্বসহকারে নেওয়া এবং এই সংঘাতের ফলাফলকে ছোট করে না দেখা।

দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পথে মধ্যপ্রাচ্য

ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঠেকাতে গিয়ে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে এসেছে।

কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নজিরবিহীন ও ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী

ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া এক রাতে রেকর্ডসংখ্যক ৬৫৬টি ড্রোন ও ৭৩টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ১৩৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ২০৯টি ড্রোন ছোড়া হয়েছে। তবে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এর অধিকাংশ হামলাই মাঝআকাশে ঠেকিয়ে দিয়েছে।

যদিও ইরানের নৌবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়, তবু উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং সমুদ্রের মাইন এই প্রণালিকে বিপজ্জনক করে রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি ও ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ঝুঁকি বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টায় চরম যুদ্ধ ছড়াতে পারে। কুয়েত, বাহরাইনসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত।

ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এখন যুদ্ধাবস্থা চলছে মধ্যপ্রাচ্যে। দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি হামলা চালাচ্ছে। যুদ্ধবিমান উড়েছে, ছুটছে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন। তার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ভুয়া তথ্যের বিস্তার ঘটছে।

বিভিন্ন জাহাজ ও উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ছোঁড়া ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের হামলায় সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তেল রপ্তানির একমাত্র পথ। এতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট আরও গভীর হতে পারে। আইআরজিসি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

ইরানপন্থী গোষ্ঠীগুলো ইরাকের ভূমি থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে চলেছে। এতে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ছয় আরব দেশ যৌথভাবে নিন্দা জানিয়েছে এবং ইরাক সরকারকে দায়ী করেছে। ফলে ইরাকের প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কে ফাটল ধরছে।