
এআই চ্যাটবটের পরামর্শ প্রশ্ন ছাড়াই মানছেন ব্যবহারকারীরা, ভালো না খারাপ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবটের দেওয়া পরামর্শ ব্যবহারকারীরা ক্রমেই প্রশ্নাতীতভাবে গ্রহণ করছেন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবটের দেওয়া পরামর্শ ব্যবহারকারীরা ক্রমেই প্রশ্নাতীতভাবে গ্রহণ করছেন।

চ্যাটজিপিটিকে আরও কার্যকর ডিজিটাল সহকারী হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন ‘শিডিউল’ সুবিধা চালু করেছে ওপেনএআই।

এআইয়ের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় গবেষকেরা এখন এর পরিবেশগত নেতিবাচক প্রভাব খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।

এআই যুগে চাকরির বাজারে মানুষের নেতৃত্ব, দলগত কাজ, আলোচনা ও আবেগ বোঝার মতো ১০ দক্ষতা নিরাপদ থাকবে বলে গোহিউম্যানাইজের গবেষণায় দেখা গেছে। আগামী ১০ বছরে ২৫% চাকরি স্বয়ংক্রিয় হলেও এসব মানবিক দক্ষতা এআইয়ের নাগালের বাইরে। গবেষণায় নেতৃত্ব শীর্ষে এসেছে স্কোর ৯৩ নিয়ে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর এআই চ্যাটবটগুলোর জন্য তৈরি বিশেষায়িত সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম মোল্টবুক কিনে নিয়েছে মেটা।

এআই ধীরে ধীরে নিজেই কাজ করতে শুরু করেছে। এর প্রথম বড় প্রভাব পড়তে পারে সফটওয়্যার প্রকৌশল পেশায়।

অনেক গবেষক মনে করেন, ভবিষ্যতে এআই মানুষ ও প্রাণীর মধ্যে সীমিত পরিসরে হলেও দ্বিমুখী যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

প্রযুক্তি বিশ্বে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার আগেই গুগলের নতুন এআই সহকারী অ্যাপ ‘কসমো’ ভুলবশত প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

মানব সভ্যতা এখন ডিজিটাল রূপান্তরের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা আর কেবল ইন্টারনেট–সংযোগ বা যন্ত্রের প্রাপ্যতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

এআই কখনোই চিকিৎসকের জায়গা নেবে না। বরং একটি স্বচ্ছ, ব্যাখ্যাযোগ্য এবং আলোচনাযোগ্য এআই হবে আগামী দিনের চিকিৎসকের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল সহকারী। আমাদের গবেষণা সেই বিশ্বাসের সেতু নির্মাণের চেষ্টাই করছে।

আক্রমণ ব্যর্থ হলে ওয়ার্মটি কারণ বিশ্লেষণ করে বিকল্প পথ খোঁজে। একসঙ্গে একাধিক যন্ত্রে আক্রমণ চালিয়ে ব্যর্থ হলে অন্য কপি নতুন কৌশলে সেখানে ঢোকার চেষ্টা করে।

জেমিনি চ্যাটবটে ‘সুইচিং টুল’ চালু করেছে গুগল, যা কাজে লাগিয়ে নিজেদের ব্যবহৃত পুরোনো চ্যাটবটের তথ্য সরাসরি জেমিনিতে স্থানান্তর করা যাবে।