
উরাশিমা তারো
বড় ছেলেদের মধ্যে একজন উত্তর দিল: ‘কে পরোয়া করে যে এটি বাঁচে কি মরে? আমরা করি না। এই, ছেলেরা, চালিয়ে যাও, চালিয়ে যাও!’

বড় ছেলেদের মধ্যে একজন উত্তর দিল: ‘কে পরোয়া করে যে এটি বাঁচে কি মরে? আমরা করি না। এই, ছেলেরা, চালিয়ে যাও, চালিয়ে যাও!’

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ১৯৭৮ সালে দেং শিয়াওপিংয়ের বাস্তববাদী নীতি থেকে শুরু করে সংস্কার, গ্রামীণ অর্থনীতি, শেনজেনের রূপান্তর, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, দারিদ্র্য বিমোচন, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেছেন।

উইকেন্ডে যেহেতু দেখলাম ছুটি আছে আর পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হবে, এদিকে ও যেহেতু চীনের কিছুই আসলে চেনে না, আর ভাষাগতও একটা জটিলতা আছে, তাই আর তেমন কিছু না ভেবে টিকিট কেটে প্রস্তুতি নিয়ে নিলাম ডালিয়ান থেকে গুয়াংজুর উদ্দেশে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, প্রবাসের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আয়ারল্যান্ডে মুসলিমদের রমজান আন্তরিকতা, সহনশীলতা ও সাম্প্রদায়িক বন্ধনের এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

এই মামিই হচ্ছেন সেই মামি, যাঁকে ইতিহাস হিসেবে দেখি। দৃষ্টান্ত হয়ে থাকার মতো, কেবল অভিবাসীই নয়, সবার প্রেরণা পাওয়ার মতো ইতিহাস। ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে মার্কিন স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ডা. আসমা আহমেদ একই সঙ্গে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের সেবায় পারদর্শিতা দেখিয়ে বিশেষ সুনাম অর্জন করেছেন।

তালেবানের হাতে ৮৪ দিন বন্দী নূর ইসলামের গল্প <em>মুক্তকণ্ঠ</em>র ঈদসংখ্যায় ছাপা হলে পরিচালক রেদওয়ান রনি অনুপ্রাণিত হয়ে সিনেমা 'দম' বানান। লেখকের সঙ্গে নূর ও তার স্ত্রী রানির সাক্ষাৎকার থেকে উঠে আসে অসাধারণ অভিজ্ঞতা। এখন সিনেমাটি দেশ-বিদেশের প্রেক্ষাগৃহ জয় করছে।

পরিচালককে ধন্যবাদ এমন একটা সময়োপযোগি ছবি তৈরি করার দুঃসাহস দেখানোর জন্য। মেয়েদের কেন্দ্র করে এমন থ্রিলার বানানোর জন্য অবশ্যই তিনি ধন্যবাদ পাবেন। তবে কাহিনির যোগসূত্রের দিকে আরও একটু নজর দেওয়া যেত।

তা না হলে বাবার চেয়ে মায়ের মাথায় বেশি চুল কেন থাকবে?

আমার স্ত্রী রোজী প্রায়ই বলে, ‘হাসনাত, তোমার মধ্যে সব সময় অস্থিরতার ভাব।’ সেদিন তার সেই কথাটাও যেন অদৃশ্যভাবে আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘বৃক্ষবন্ধু’ নামে পরিচিত আজহারুল ইসলাম খান অচেনা গাছপালার গুণ তুলে ধরেন ভিডিওতে। ২০২৩ সালে দুটি ভিডিওয়ের মাধ্যমে লাখো অনুসারী অর্জন করেছেন তিনি। গাছের প্রতি ভালোবাসা থেকে শুরু করে ফার্মাসিউটিক্যাল চাকরি এবং ভেষজ ব্যবসা পর্যন্ত তাঁর জীবনের গল্প।

ঈদ শেষে আবার কেউ বিমানে, কেউ বাস বা ট্রেনে করে ফিরে আসেন। শুরু হয় পুরোনো জীবনের ব্যস্ততা।

সম্পাদকের চেহারায় ইস্পাতকাঠিন্য নেমে এল। এক বন্ধু বলে উঠলেন ‘বাহ্ এই গল্প নারীবাদী তাত্ত্বিকদের কাজে লাগবে!’