
বিএনপি সরকারের ‘কথিত অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেটে’ শ্রমিক–কৃষকের জায়গা হয়নি: সাইফুল হক
সমাবেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তিকে ‘জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তাবিরোধী’ হিসেবে আখ্যা দেন সাইফুল হক।

সমাবেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তিকে ‘জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তাবিরোধী’ হিসেবে আখ্যা দেন সাইফুল হক।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তিসহ ‘জাতীয় স্বার্থবিরোধী’ সব চুক্তি বাতিলের দাবিতে ১৭ জুলাই বেলা সাড়ে তিনটায় ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গণসমাবেশ করবে অধিকার কমিটি।

জাতীয় স্বার্থেই এই জীবনব্যাপী দুষ্টচক্র থেকে শিক্ষার্থীদের মুক্তি প্রয়োজন।

দেশের ১৩টি বামপন্থী দলের সমন্বয়ে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট গঠন করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ বাতিলের দাবি জানিয়েছে। এই চুক্তিকে তারা অসম ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী বলে অভিহিত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তিকে অন্যায় ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী বলে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা সাইফুল হক এটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও বিশেষজ্ঞরা চুক্তিটি অসম ও সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী বলে সমালোচনা করেন। বিএনপি সরকারকে এ থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশের দায়িত্ব হচ্ছে নিজের জাতীয় স্বার্থকে মাথায় রেখে প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখা, কিন্তু প্রতিবেশীর অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াইকে যতটা সম্ভব পৃথক রাখা।

জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনি গোশত মানেন, কিন্তু ঝোল খাইতে রাজি না। একই তরকারি, একই বাসনে পাকানো হয়েছে। গোশতটা খেয়ে নিলেন, বলতেছেন ঝোলটা হারাম।’

জাতীয় স্বার্থে দলের আপস না করার মনোভাব তুলে ধরেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

অন্তর্বর্তী সরকারের যে উপদেষ্টা জাতীয় স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন চুক্তির মূল কারিগর, তাঁকেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার সমালোচনা করা হয় সভায়।

পররাষ্ট্রনীতি কোনো বিশেষ দেশকেন্দ্রিক হবে না, জাতীয় স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেন আমীর খসরু মাহমুদ।

অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ অনিয়ম, অস্বচ্ছতা এবং জনস্বার্থ ও জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে এনসিটি ইজারার চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে বলে উল্লখে করেন আনু মুহাম্মদ।

বিপস আয়োজিত সেমিনারে বলা হয়, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সংকীর্ণ ও কঠোর জাতীয় স্বার্থ অনুসরণের প্রবণতা স্পষ্টভাবে বেড়েছে।