
করোনার লকডাউনে ব্যবসা শুরু করে রনি এখন মোটরসাইকেলে গ্রাম–বাজারে ঘুরে চা বিক্রি করেন। ফোন পেলেই হাজির হন, চা বিক্রির আয়েই চলছে তাঁর সংসার।
করোনার লকডাউনের সময় যখন চায়ের দোকানগুলো বন্ধ হয়ে যায়, তখনই রনি আহম্মেদ শুরু করেন ভ্রাম্যমাণ চায়ের ব্যবসা।

করোনার লকডাউনের সময় যখন চায়ের দোকানগুলো বন্ধ হয়ে যায়, তখনই রনি আহম্মেদ শুরু করেন ভ্রাম্যমাণ চায়ের ব্যবসা।

দিনাজপুরের বিরামপুরে প্রাচীন বটতলায় মারুফের ভ্রাম্যমাণ চায়ের দোকানে বিকেল হলেই জমে আড্ডা। দুধ-চা, পোড়া রুটি ও মনোরম পরিবেশে ভিড় করছেন দূরদূরান্তের দর্শনার্থীরা।

রাজশাহীর বাগমারার দোতারাবাদক আবদুস সামাদ মোল্লাহ। অভাব–অসুস্থতা থাকলেও দোতারা বাজিয়ে গান গেয়ে তাঁর চায়ের দোকানে মানুষকে বিনোদন দিয়ে চলেছেন।

দিনভর মাঠে কাজ শেষে সন্ধ্যা নামতেই পাবনার বেড়া উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের আবুল কালাম ছুটে আসেন স্থানীয় হাটুরিয়া বাজারের আবদুর রউফের চায়ের দোকানে।

ঢাকার সাভারে র্যাব-৪ অভিযান চালিয়ে পিস্তল, গুলি, হেরোইন, গাঁজা ও ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করেছে। তারা চায়ের দোকানের আড়ালে মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কাজকর্ম চালাতো। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা হবে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেনকে (২৭) দুর্বৃত্তরা গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সাঁড়া গোপালপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ তদন্ত করছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পাঠিয়েছে।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় এক বিএনপি নেতার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান লক্ষ্য করে কয়েকটি গুলি ও ককটেল ছুড়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে এক চায়ের দোকানদার ছররা গুলিতে আহত হয়েছেন।

রাত পৌনে ১২টা। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে বাড়ির কাছেই একটি চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন বৃদ্ধ রফিকুল আলম (৭০)। এ সময় একটি পিকআপ ভ্যান মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়ে সেই দোকানে। পিকআপ ভ্যানটিতে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন রফিকুল। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার সময় মৃত্যু হয় তাঁর।

রাজশাহীতে অবস্থানকালে মিজানুর রহমান আগের মতোই রিকশায় চড়ে শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন। প্রতিদিনের মতো চায়ের দোকানে বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।

জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশে চলছে একটি উৎসবের আমেজ। বিশেষ করে ছোট ছোট চায়ের দোকানে ঢুকলে নির্বাচনের আমেজ যে এখন সাধারণ মানুষের চিন্তাজগতের পুরোটা জুড়ে আছে, সেটা বেশ ভালোভাবেই বোঝা যায়।

রাজশাহীর বাগমারায় ফেস্টুন ছেঁড়ার অভিযোগে জামায়াতের এক কর্মী ও তাঁর চাচাকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় জামায়াত কর্মীর চায়ের দোকানেও হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়।

চায়ের দোকানে সকাল থেকেই লোকসমাগম। নানা বয়সী মানুষের আসা-যাওয়া। দুপুরের দিকে জমজমাট আড্ডা।