
কোরবানির চামড়া ব্যবস্থাপনা দেখতে আমিনবাজারে বাণিজ্যমন্ত্রী
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী কাঁচা চামড়ার ক্রেতা ও বিক্রেতা, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। বাজার পরিস্থিতি, মূল্য, সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক কার্যক্রম সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন তিনি।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী কাঁচা চামড়ার ক্রেতা ও বিক্রেতা, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। বাজার পরিস্থিতি, মূল্য, সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক কার্যক্রম সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন তিনি।

মাঝারি আকারের গরুর কাঁচা চামড়া ৫০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত বছর একই ধরনের চামড়ার দাম ছিল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে।

আজ শুক্রবার ঢাকায় প্রতিটি চামড়া ঈদের দিনের চেয়ে ১০০ টাকা বা তার বেশি দামে বিক্রি হয়েছে।

ঈদের দিন বিকেল পর্যন্ত সবকিছু ঠিকই ছিল। চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা গরুর চামড়া সংগ্রহ করছিলেন। কেউ ভ্যানে। কেউ পিকআপে। কারও সামনে শত শত চামড়া। সবারই আশা ছিল, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম উঠবে। কিন্তু সেই আশা শেষ পর্যন্ত ভেঙে যায়।

বাজারজুড়ে পর্যাপ্ত চামড়া থাকলেও বিক্রি না হওয়ায় চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যাংকগুলোকে চামড়া ঋণের লক্ষ্যমাত্রা এবং কত টাকা বিতরণ করা হলো, সেই তথ্য আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবৃদ্ধি ও নীতি বিভাগে পাঠাতে হবে।

আজ শনিবার ঢাকার সাভারের বিসিক চামড়াশিল্প নগরের কনফারেন্স কক্ষে বিভিন্ন ট্যানারির মালিকসহ চামড়াশিল্প খাত–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন মন্ত্রী।

প্রতিবছর কোরবানির আগে দাম ঘোষণার অনুষ্ঠান হয়, প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, কিন্তু মাঠের চিত্র একই থাকে। এই চক্র ভাঙার সময় এসেছে। কোরবানির পশুর চামড়ার দাম পড়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান কীভাবে হবে?

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সাভারে স্থানান্তরের পরে ট্যানারিগুলোকে যে ধরনের অবকাঠামো ও নীতিসহায়তা দেওয়া দরকার ছিল, সেটি খুব একটা হয়নি।

দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তর রাজারহাট পাইকারি চামড়ার মোকামে চামড়া বিক্রি করতে এসে ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন বিক্রেতারা।

গত মাসে হিমায়িত খাদ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশল পণ্য ও চামড়াবিহীন জুতার রপ্তানি অবশ্য বেড়েছে।