
উত্তরে থাকি, দক্ষিণে যাই—শেষ পর্ব
‘ই ট্রেনে’র প্ল্যাটফর্ম খুঁজতে গিয়ে আসলে চোখ আটকে গেল অন্য জায়গায়। সাবওয়ে স্টেশনটাও দেখি আর্ট গ্যালারি হয়ে আছে!

‘ই ট্রেনে’র প্ল্যাটফর্ম খুঁজতে গিয়ে আসলে চোখ আটকে গেল অন্য জায়গায়। সাবওয়ে স্টেশনটাও দেখি আর্ট গ্যালারি হয়ে আছে!

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান পেদ্রো উপকূল হয়ে আমাদের জাহাজ চলছে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ–পশ্চিম কোণ বরাবর।

গোমতী চরের সূর্যমুখীর হলুদ সাম্রাজ্য এখন ভাইরাল। কেন এই বাগান দেখতে যাবেন, কীভাবে যাবেন—সব থাকছে এ লেখায়।

পাবনা জেলা সদরের টেবুনিয়া এলাকায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের খামারে বীজ উৎপাদনের জন্য সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হচ্ছে।

ঢাকায় এখন বেশ শীত, রোদের দেখা পাওয়া যায় না। কিন্তু এখানে সাত সকালে রোদ দেখা গেল।

নিউইয়র্কে আসার আগে ও পরে কতজন যে এই স্ট্রিট ফুড খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন! নতুন খাবারের ব্যাপারে সেরীনের বরাবরই আগ্রহ। নতুন খাবারে আমার কেবল সমস্যা হয়। কেবল সমস্যা নয়, ভালোই সমস্যা হয়।

ভাস্কর্য উদ্যানে পৃথিবীখ্যাত ভাস্কর্যগুলোর পাশ দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে তারের একটা চেয়ারে বসে পড়ি। সামনের ভাস্কর্যটা আসলে একটি নগ্ন নারীমূর্তি, মাথাটা প্রায় সোমনের জলধারাটায় পড়ে যাচ্ছে। জলধারাটায় অগুনতি কয়েন, বোঝা যায় দর্শনার্থীরা সেখানে মুদ্রা ছুড়ে দিয়েছে।

সময় বাঁচাতে আমরা পতেঙ্গা থেকে দ্রুত সিএনজি নিয়ে ফ্লাইওভার হয়ে পৌঁছে গেলাম বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালে।

তখন কে জানত, এই জগৎ যাদের—মানে লেপচারা (লেপচা জগৎ = লেপচাদের জগৎ), তারাই হচ্ছে এই তল্লাটের, মানে পুরো সিকিমের (দার্জিলিং একসময় যার অংশ ছিল, এর বিস্তারিত একটু পরেই বলব) সবচেয়ে আদি বাসিন্দা।