
টোকিওকে বাঁচায় বিশাল এক ব্যাঙ
কাতাগিরি তার অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকে দেখে—একটা বিশাল ব্যাঙ তার জন্য অপেক্ষা করছে। পেছনের দুই পায়ে দাঁড়ানো সে ব্যাঙ ছয় ফুটের বেশি লম্বা, শক্তপোক্ত তার শরীর।

কাতাগিরি তার অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকে দেখে—একটা বিশাল ব্যাঙ তার জন্য অপেক্ষা করছে। পেছনের দুই পায়ে দাঁড়ানো সে ব্যাঙ ছয় ফুটের বেশি লম্বা, শক্তপোক্ত তার শরীর।

মায়ের দিন কাটে ধনীদের বাড়িতে কাপড় কাচায়; অন্ধ স্বামীর দিন কাটে দরিদ্রদের ঘরে কোরআন তিলাওয়াতে। বিকেলে সেই এককক্ষের বাসায় ফিরে আসা তার অভ্যাস ছিল না।

সামনে যানজট যেন হামাগুড়ি দিয়ে এগোয়, লোকজন একে অপরকে গালাগালি করে আর গাড়ির হর্নের শব্দ আকাশ ফুঁড়ে এয়ার-রেইড সাইরেনের মতো বেজে ওঠে।

ইয়োশিয়া নিজেকে প্রশ্ন করে। আমি কি এমন কোনো বন্ধন নিশ্চিত করতে চাইছি, যা আমাকে এখন এখানে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে?

জুনকো কিছুক্ষণ ভেবে দেখে। কিন্তু বুঝতে পারে না মিয়াকি কী বোঝাতে চেয়েছে। তারপর জুনকো বলে, ‘কখনোই ভাবিনি আমি কীভাবে মরব। তা নিয়ে ভাবতেই পারি না। শুধু তা-ই নয়, আমি কীভাবে বাঁচব, সেটাই তো জানি না।’

আজকাল কী যে হয়েছে, কেউ আর তাঁকে পছন্দ করছে না। চিঠি বিলি করার সময় আগের মতোই তিনি রঙ্গ-রসিকতা করেন, কিন্তু লোকেরা মুখ ভার করে থাকে।

আফজাল পশ্চিমে ঢলে পড়া সূর্যের প্রায় গ্রীষ্মের মতো উষ্ণ তেজ মাথা পেতে নিয়ে হুইলচেয়ার ঠেলে চলে যায় সরু প্রধান ফটকের কাছে।


বাবা মাঝেমধ্যে কারাগারের দেয়ালে হেলান দিয়ে সুরা ইয়াসিন পড়েন। পুরোটা পড়তে পারেন না। ইজরায়েলি বাহিনীরা তিলাওয়াত শুনে তেড়ে আসেন।

আশরাফ ততক্ষণে সাহানুর নিটোল হাতটা টেনে তুলে ফেলেছে নিজের চোখ আর নাকের বড্ড কাছে। অস্ফুট আড়ষ্ট কণ্ঠে সাহানুর মৃদু গুঞ্জন ভেসে আসল।

হাতের চুড়িগুলো নিয়ে মৃদু নাড়াচাড়া করতে করতে নীলা বলল, ‘কোম্পানিতে আমরা যারা কাজ করি, তারা সবাই মিলে ইউনিয়ন করেছি কিনা। তার গঠনতন্ত্রটা ছাপাব।’

‘বিয়ের পর রাতের পর রাত জেগে আমরা গল্প করব। আমি চা বানিয়ে আনব। তারপর চা খেতে খেতে দুজনে জোছনা দেখব। মনভরে।’