
সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক পথই সমাধান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনা শুধু ইরান নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি সংকটজনক মুহূর্ত তৈরি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনা শুধু ইরান নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি সংকটজনক মুহূর্ত তৈরি করেছে।

জাপান সরকার এখনো দোলাচল কাটিয়ে উঠতে পারেনি। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো যৌথ হামলা এবং সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জাপান সরকারের পক্ষ থেকে দেখানো হয়নি। বিস্তারিত তথ্যের ঘাটতির কথা বলছে সরকার।

যে হামলায় খামেনি নিহত হন, সেটিকেই যুদ্ধের সূচনা হিসেবে ধরা হচ্ছে।

হামলায় ইরানে ৩৬ বছর ধরে নেতৃত্ব দেওয়া দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধারের একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ফ্যাক্ট চেকে দেখা যাচ্ছে, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। জাতিসংঘের কোনো অনুমোদন তো দূরের কথা, কোনো পূর্বঘোষণাও ছিল না। ওই হামলায় ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

গত শনিবার তেহরানে হামলায় শাহাদাত বরণ করেন খামেনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

তিনি কাঁদতে কাঁদতে ফারসি ভাষায় একটি বিবৃতি পড়ে শোনান।

ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনি পরিবারের একজনকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হওয়া সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর ছেলে মোজতবা হোসেইনি খামেনিকে নির্বাচিত করা হয়েছে। ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি প্রয়াত আলী খামেনির দ্বিতীয় ছেলে।

ইসলামি বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নাতিও সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার দৌড়ে আছেন