
কোরআন যেভাবে জীবনের সফলতার পথ দেখায়
পৃথিবীতে মানুষের আগমনই ঘটে সফলতার সন্ধানে। কোরআনের দৃষ্টিতে এই সফলতা কেবল বৈষয়িক প্রাপ্তি নয়, বরং এটি একটি সুসংহত ও দ্বিমুখী প্রক্রিয়া।

পৃথিবীতে মানুষের আগমনই ঘটে সফলতার সন্ধানে। কোরআনের দৃষ্টিতে এই সফলতা কেবল বৈষয়িক প্রাপ্তি নয়, বরং এটি একটি সুসংহত ও দ্বিমুখী প্রক্রিয়া।

পবিত্র কোরআনে ‘আখসারিনা আমালা’ বা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত আমলকারীদের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। সারাজীবনের খাটুনি শেষ বিচারে পণ্ড যায় যদি ইখলাস ও সুন্নাহ না থাকে। ইমাম আল-মাওয়ার্দি ও তাবারির ব্যাখ্যায় এদের পাঁচটি গোষ্ঠী উল্লেখ করেছেন।

যখন মানুষ জানতে পারে যে এই তুচ্ছ প্রাণিটিরও তার মতো একটি নির্দিষ্ট সামাজিক বা প্রজাতিগত পরিচয় আছে, তখন তাদের প্রতি হৃদয়ে সহমর্মিতা জাগ্রত হয়।

অনেকেই হয়তো আমাদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন বা কষ্ট দেন। কষ্ট মনে পুষে রেখে প্রতিহিংসা পরায়ণ হওয়ার চেয়ে ক্ষমা করে দেওয়া অনেক বেশি সম্মানের।

একটা চিন্তা শেষ হয় না, আরেকটা শুরু হয়। এই অবস্থার নাম ‘ওভারথিংকিং’। আজকের পৃথিবীতে লাখো মানুষ প্রতি রাতে এই যন্ত্রণায় ভোগে। সমাধান কী?

কোরআনের মানদণ্ড মানুষকে দুটি স্পষ্ট ভাগে বিভক্ত করে দেয়—একদল যারা ওহির আলোতে সত্যকে চিনতে পেরেছে, অন্যদল যারা মরীচিকার পেছনে ছুটে ভ্রষ্টতার অন্ধকারে হারিয়ে গেছে।

কোরআনের যেসব আয়াতে দোয়ার কথা বলা হয়েছে বা আল্লাহর কাছে চাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো তেলাওয়াত করলে বা শুনলে সিজদা করার কোনো বিধান নেই।

কোরআনের বিধান পরিবর্তন হওয়া মানে এই নয় যে আল্লাহ তাঁর সিদ্ধান্ত পাল্টাচ্ছেন, বরং এটি হলো মানবজাতির ক্রমবিকাশ ও পরিস্থিতির প্রয়োজনে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত।

কোরআনের সুরা বাকারার ৫৭ নং আয়াতে আল্লাহ হালাল রিজিক গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। হারাম রিজিক ইবাদতকেও প্রভাবিত করে। আলেমদের মতে হারাম মালের ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে, বিশেষ করে পিতার আয় হারাম হলে সন্তানের করণীয়।

অনুবাদ কেবল আমাদের অর্থের একটি সাধারণ ধারণা দেয়, কিন্তু সেই শব্দের অন্তরালে থাকা জ্যোতি পেতে হলে মূল ভাষার কাছেই ফিরে যেতে হবে।

জাগতিক ব্যস্ততায় নেক আমলের ধারাবাহিকতা নষ্ট হয়ে যায় না যেন, সেই ইস্তিকামাহ বজায় রাখতে পবিত্র কোরআনের ১০টি শক্তিশালী আয়াতের অনুপ্রেরণা। এগুলো পাঠ করে মানসিক দৃঢ়তা ও আধ্যাত্মিক জোর পাওয়া যায়। ধৈর্য, তওবা ও পারস্পরিক উপদেশের মাধ্যমে নেক পথে অবিচল থাকুন।

ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই আল্লাহর হক ও বান্দার হক রক্ষার বিষয়টি অবিচ্ছেদ্যভাবে মুসলমানদের আচরণে প্রকাশ পেয়েছে। কোরআনে দুটি বিষয়কে আলাদা করা হয়নি।