
সফলতার পথ দেখাবে কোরআনের ১০ আয়াত
জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত আমাদের থমকে দিতে চায়, কিন্তু পবিত্র কোরআন আমাদের শেখায় কীভাবে ধৈর্যের মাধ্যমে প্রতিকূলতা জয় করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়।

জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত আমাদের থমকে দিতে চায়, কিন্তু পবিত্র কোরআন আমাদের শেখায় কীভাবে ধৈর্যের মাধ্যমে প্রতিকূলতা জয় করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়।

যখন মানুষ জানতে পারে যে এই তুচ্ছ প্রাণিটিরও তার মতো একটি নির্দিষ্ট সামাজিক বা প্রজাতিগত পরিচয় আছে, তখন তাদের প্রতি হৃদয়ে সহমর্মিতা জাগ্রত হয়।

পৃথিবীতে মানুষের আগমনই ঘটে সফলতার সন্ধানে। কোরআনের দৃষ্টিতে এই সফলতা কেবল বৈষয়িক প্রাপ্তি নয়, বরং এটি একটি সুসংহত ও দ্বিমুখী প্রক্রিয়া।

কোরআনের বারবার তাগিদ দেওয়া আল্লাহর পক্ষ থেকে এক জোরালো ইঙ্গিত ছিল যে, ভবিষ্যতে মুসলমানরা উন্নত ও সুসভ্য জাতিসমূহের সংস্পর্শে আসবে। বাস্তব চিত্রও তা-ই ছিল।

পবিত্র কোরআনে ‘আখসারিনা আমালা’ বা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত আমলকারীদের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। সারাজীবনের খাটুনি শেষ বিচারে পণ্ড যায় যদি ইখলাস ও সুন্নাহ না থাকে। ইমাম আল-মাওয়ার্দি ও তাবারির ব্যাখ্যায় এদের পাঁচটি গোষ্ঠী উল্লেখ করেছেন।

অন্যায়ের মুখে কখন প্রতিবাদ করব, কখন চুপ থাকব—কোরআন ও হাদিস এর ভারসাম্যের পথ দেখায়। জুলুমের শিকার হলে কথা বলা অধিকার, কিন্তু মন্দ কথা আল্লাহ পছন্দ করেন না। সঠিক সময়, নিয়ত ও ভাষায় সিদ্ধান্ত নিন।

যখন একটি জাতি তার শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড হিসেবে বংশ বা বর্ণকে বাদ দিয়ে ‘তাকওয়া’ বা নৈতিকতাকে গ্রহণ করে, তখন সেখানে সাম্প্রদায়িক ফেতনার কোনো স্থান থাকে না।

কোরআন মাজিদ বিভিন্ন জায়গায় পিতৃত্বের প্রসঙ্গটি এনেছে এবং বিভিন্ন ধরনের বাবার উদাহরণ দিয়েছে। তার মধ্য থেকে আমরা কয়েকটি অনন্য বৈশিষ্ট্য খুঁজে পাই।

কোরআনের মানদণ্ড মানুষকে দুটি স্পষ্ট ভাগে বিভক্ত করে দেয়—একদল যারা ওহির আলোতে সত্যকে চিনতে পেরেছে, অন্যদল যারা মরীচিকার পেছনে ছুটে ভ্রষ্টতার অন্ধকারে হারিয়ে গেছে।

কোরআনের বিধান পরিবর্তন হওয়া মানে এই নয় যে আল্লাহ তাঁর সিদ্ধান্ত পাল্টাচ্ছেন, বরং এটি হলো মানবজাতির ক্রমবিকাশ ও পরিস্থিতির প্রয়োজনে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত।

সম্পদের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। কোরআনে সম্পদের উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অনেকেই হয়তো আমাদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন বা কষ্ট দেন। কষ্ট মনে পুষে রেখে প্রতিহিংসা পরায়ণ হওয়ার চেয়ে ক্ষমা করে দেওয়া অনেক বেশি সম্মানের।