
খুচরা পর্যায়ে হাজারে ২ টাকার কর, দামে প্রভাব পড়বে কতটা
এদিকে দেশের অর্থনীতির বড় অংশ অপ্রাতিষ্ঠানিক। তাদের করের আওতায় আনতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান রাজস্ব কর্মকর্তারা।

এদিকে দেশের অর্থনীতির বড় অংশ অপ্রাতিষ্ঠানিক। তাদের করের আওতায় আনতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান রাজস্ব কর্মকর্তারা।

সমিতি বলছে, ১০ শতাংশ আয়কর বহাল থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও মানোন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে। শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে।

বক্তারা বলেন, সরকার বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিলেও বর্তমান করব্যবস্থা বিনিয়োগবান্ধব নয়। করনীতি ও কর ব্যবস্থাপনাকে আলাদা করা এখন সময়ের দাবি।

এ বছর প্রায় সাড়ে ৪২ লাখ করদাতা আয়কর রিটার্ন দিয়েছেন। কিন্তু দেশে ১ কোটি ২০ লাখের মতো কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএনধারী) আছেন।

স্থানীয় উৎপাদকদের মূল অভিযোগ হলো, শুল্ক নির্ধারণের পদ্ধতি নিয়ে। তাঁরা আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রসাধনী খাতের কর ও শুল্ককাঠামো পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।

আয়কর রিটার্ন জমার সময় গত ৩১ মার্চ শেষ হলেও এখনো জমা দেওয়া যাবে, তবে ২ শতাংশ সুদসহ জরিমানা দিতে হবে এবং কর রেয়াত মিলবে না। বকেয়া দুই বছরের রিটার্ন জমা সম্ভব। যাঁরা সময় বাড়িয়েছেন, তাঁদের জরিমানা হবে না।

বাজেটের অর্থবিলে এ–সংক্রান্ত নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। তাতে অভিজাত ক্লাবের সদস্যপদ কিনতে দিতে হবে ১০ শতাংশ উৎসে কর।

২০২৩–২৪ অর্থবছরের জন্য জমা দেওয়া আয়কর রিটার্ন নিরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এই পর্যন্ত তিন দফায় এক লাখ করদাতার করনথি নির্বাচন করল এনবিআর।

আগামীকাল ৩০ জুন জাতীয় বাজেট পাস হতে যাচ্ছে। তাতে প্রস্তাবিত বাজেটের বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন আসছে।

বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব করব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাবে—অর্থনৈতিক অংশীজনদের দীর্ঘদিনের দাবি এটিই। একটি দীর্ঘমেয়াদি ও অনুমানযোগ্য করব্যবস্থা না থাকায় অতীতে প্রায় প্রতিটি বাজেট সামনে রেখে করদাতাদের চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে হয়।

এক লাখের বেশি গ্রাহক থাকলেই ‘স্থায়ী স্থাপনা’ হিসেব ধরা হবে, এতে বিদেশি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের ওপর করারোপ করতে পারবে এনবিআর।

ফ্ল্যাটের দাম প্রতি বর্গফুটে গড়ে দুই হাজার টাকা বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা।