
নীরব গ্লাসের কাচ গলে ঝরে যায় বালুকা
বাতি নিভিয়ে দেয় তারা আর অন্ধকার গ্লাসে আলোর বটিকাটি দ্রবীভূত হওয়ার আগে

বাতি নিভিয়ে দেয় তারা আর অন্ধকার গ্লাসে আলোর বটিকাটি দ্রবীভূত হওয়ার আগে

এরা মুগ্ধ লালন-কীর্তন ভাটিয়ালি গানে। আমার কবিতা রবীন্দ্রনাথের মতো

সমস্ত শক্তি কণ্ঠে জড়ো করে আমি ড্রাইভারকে গাড়ি থামাতে বলি ড্রাইভার আমাকে ভ্রুক্ষেপ করে না তাচ্ছিল্য নিয়ে বলে, সামনের স্টেশনে নামেন আমার সামনে আর কোনো স্টেশন নাই!!


এ প্রথম আমার কবিতা কেউ লিখে দিল মুগ্ধ আমি



কবিতায় হারিয়ে যাওয়া মানুষের খোঁজ, পাথর ফাটিয়ে উঠে আসা সবুজ লতারার অদম্যতা এবং স্বাধীনতার প্রতীক। শিশুর চিৎকার থেকে সাদা ডানার পাখি, মধ্যবিত্তের নিরাপদ অস্তিত্ব—জীবনের এই ছবিগুলো কবিতায় ধরা পড়েছে।

সিসিফাসগুচ্ছ কবিতায় আপেলের গড়িয়ে পড়া, ভাঙনের ভয়, গান ভাঙা, মানুষের ভেঙে যাওয়া এবং চোরাবালির চুম্বনের চিত্র ফুটে ওঠে। প্রতীক পুড়িয়ে নিছক কাগজ ভাবার মধ্য দিয়ে জন্মভূমির প্রতি এক অস্পষ্ট অনুরণন ঘুরে বেড়ায়। এটি ভাঙন, রূপান্তর ও অলীকতার গভীর অনুভূতির সমষ্টি।

এহেন ভাবিতেই অকস্মাৎ চমকাইয়া উঠিলাম: ঠাহর করিলাম পৃষ্ঠদেশে আমার ভয়াবহ একটা কিল পড়িয়াছে।

প্রাতিষ্ঠানিক বৌদ্ধধর্মের রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে ১২৪৩ সালে তিনি দূরবর্তী ইহি প্রদেশের এক পার্বত্য অঞ্চলে ‘চিরন্তন শান্তির মন্দির’ প্রতিষ্ঠা করেন।

তাঁর কবিতায় অভিযোগ বা প্রতিরোধ খুব কম। তিনি বৃষ্টিতে ভিজুন, রোদে পুড়ুন বা একাকিত্বে কাটান—বর্তমান পরিস্থিতিকে পুরোপুরি স্বীকার করে নিতেন।