
যেভাবে বাদাম ও বীজ খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন
বাদাম ও অন্যান্য বীজ ভুল পদ্ধতিতে খাওয়া হলে উপকার না-ও মিলতে পারে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বাদাম ও অন্যান্য বীজ ভুল পদ্ধতিতে খাওয়া হলে উপকার না-ও মিলতে পারে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে।

হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্য থেকে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা, ওজন নিয়ন্ত্রণ থেকে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে বাদামের অবদান প্রমাণিত।

থাইরয়েড ও পুষ্টি—এই দুটো বিষয় একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। থাইরয়েড হরমোন শরীরের বিপাকক্রিয়া, শক্তি উৎপাদন, ওজন নিয়ন্ত্রণ, হৃদ্যন্ত্রের কার্যক্রম এমনকি মস্তিষ্কের বিকাশ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে।

গ্রীষ্মে খরমুজ বা সাম্মাম পানিশূন্যতা রোধ, হজমশক্তি বাড়ায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এতে ভিটামিন এ, সি, পটাশিয়ামে ভরপুর। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পরিমিত খাওয়ার পরামর্শ।

আদা, মধু ও কালিজিরা প্রদাহ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। সকালে পরিমিত খেলে সতেজতা ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস রোগী বা ওষুধ খাওয়া ব্যক্তিরা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

শজনেডাঁটা ও পাতা পুষ্টিগুণে ভরপুর, অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ এবং হাড়, চোখ ও ওজন নিয়ন্ত্রণে উপকারী। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের তথ্য অনুসারে এতে প্রোটিন, আঁশ ও ভিটামিনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। গর্ভবতী নারী, ওষুধসেবনকারী এবং অ্যালার্জিপ্রবণ ব্যক্তিরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না।