
আলোচনা হয়নি, জ্বালানির দাম কমাতে হামলা স্থগিতের কৌশল ট্রাম্পের: ইরান
যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি ইরানের।

যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি ইরানের।

সৌদি আরব, মিসর, ওমান ও কাতার ইরানে সামরিক হামলার বিরোধিতা করছে। তারা বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা করছে।

যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে গত ১৭ জুন একটি সমঝোতায় সই করেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টরা।

পাল্টাপাল্টি হামলা সত্ত্বেও ইরানি সূত্র ও পশ্চিমা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি প্রাথমিক শান্তিচুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যকার পরোক্ষ আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে।

ইরান উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

ট্রাম্প গত সপ্তাহে তেহরানকে হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে পারে।

আবার হামলা হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি। এক্স প্ল্যাটফর্মে এই বিবৃতি দিয়ে তিনি পার্লামেন্টে বিষয়টি আলোচনার কথা জানিয়েছেন। এসবের মধ্যে ইরানের উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়াম মজুত ৪০৮ কেজি পৌঁছেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

যুদ্ধের অষ্টম দিনে ইরান জুড়ে আরও তীব্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পাল্টা হামলা ইরানের।

জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর অবস্থানস্থল হিসেবে পরিচিত একটি বিমানঘাঁটিতেও হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি।

ইসরায়েল আজ শনিবার ভোরে ইরানে হামলা চালিয়েছে, যাকে তারা ‘আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা’ বলছে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়। এতে ইসরায়েল লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে পারবে। দক্ষিণ লেবাননে তারা অভিযান ত্বরান্বিত করেছে।