
ইরান যুদ্ধ: দায় চাপাতে চাইলেন ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ: দায় চাপাতে চাইলেন ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধ: দায় চাপাতে চাইলেন ট্রাম্প

নতুন করে বিপজ্জনক হয়ে ওঠা এই অঞ্চলের আকাশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক শ্রম অভিবাসন বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। প্রতিবছর অনেক বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যান।

ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে মাত্র তিন সপ্তাহে ১ হাজার ৫০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

ওয়াশিংটনের এই কৌশলের বিরূপ প্রভাব কেবল আঞ্চলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। জাতিসংঘের কোনো অনুমোদন তো দূরের কথা, কোনো পূর্বঘোষণাও ছিল না। ওই হামলায় ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

রয়টার্স/ইপসোস জরিপে দেখা গেছে, ইরান যুদ্ধ নিয়ে সাধারণ মার্কিনরা হতাশ এবং নেতিবাচক। চারজনের মধ্যে তিনজনের বেশি স্থল সেনা পাঠানোর বিরোধী। যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়ছে, মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তেহরানের আকাশে এখন যুদ্ধবিমানের গর্জন দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আগ্রাসন শুরু করে, তখন চীনের শীর্ষ নেতারা বন্ধুভাবাপন্ন আরেকটি দেশের সরকার পতনের আশঙ্কা করছিলেন।

ইরান যুদ্ধ শেষ করতে ইসরায়েলকে এক সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের সরকার সহজে ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা কম। এটি একটি বিস্তৃত ও শক্ত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু সরকারের অনেকেই ইতিমধ্যে বলে ফেলেছেন, ওল্ড টেস্টামেন্টে ‘আর্মাগেডন’ বা ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের’ প্রেক্ষাপট ইরান যুদ্ধের মধ্য দিয়েই সূচিত হতে যাচ্ছে।