
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পেঁয়াজুর রেসিপি দেখুন
পেঁয়াজু, তবে একটু অন্যরকম। ইফতারে যারা পেঁয়াজু খেতে ভালোবাসেন, এভাবে একবার বানিয়ে দেখতে পারেন।

পেঁয়াজু, তবে একটু অন্যরকম। ইফতারে যারা পেঁয়াজু খেতে ভালোবাসেন, এভাবে একবার বানিয়ে দেখতে পারেন।

ড্রেসিংয়ের জন্য একটি বাটিতে লেবুর রস, লবণ, চিনি, গোলমরিচের গুঁড়া, সস, চিলি ফ্লেক্স ও জলপাই তেল মিশিয়ে নিন।

মুগডাল তাওয়ায় অল্প আঁচে টেলে নিন। যাতে পুড়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

বুট ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। পানিতে ভিজে ফুলে উঠলে পরিষ্কার করে ধুয়ে সামান্য লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে নিন।

একটি গামলায় পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচের কুচি, লবণ, ধনেপাতার কুচি হাত দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে মেখে নিন।

ছোলা ধুয়ে সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। আরেকবার ভালো করে ধুয়ে ডুবো পানিতে সেদ্ধ করে নিন।

আলু সেদ্ধ করে চটকে নিন। ডিম সেদ্ধ করে প্রতিটি ডিম দুই টুকরা অথবা চার টুকরা করে কেটে নিন। পেঁয়াজকুচি লাল করে ভেজে নিন।

ওটস দিয়ে বানাতে পারেন নতুন স্বাদের পেঁয়াজু। ইফতারি হিসেবে খেতেও মন্দ লাগবে না। মুচমুচে ওটসের পেঁয়াজুর রেসিপি দেখুন এখানে

গম, মাষকলাই ডাল ও মুগ ডাল টেলে নিন। চাল, ডাল ও গম সেদ্ধ করে বেটে নিন। তেলে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে সব মসলা ও মুরগি দিয়ে কষান।

ডাল পরিষ্কার করে ধুয়ে ভিজিয়ে রাখুন। ২ ঘণ্টা পর ডাল ফুলে উঠলে পানি ঝরিয়ে বেটে নিন। বেশি মিহি করে বাটবেন না।

তেলে মুরগির কিমা, কাঁচা মরিচ কুচি, অরিগানো, গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে ভেজে রাখুন। বেগুন লম্বা ও একটু মোটা করে কাটুন।

মাষকলাইয়ের ডাল ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। ধুয়ে পানি ঝরিয়ে ১ টেবিল চামচ পুদিনা, অর্ধেকটা (আধা টেবিল চামচ) কাঁচা মরিচ বাটা মিশিয়ে নিন।