
গণতন্ত্রের পৃথিবীতে স্বৈরতন্ত্রের উত্থান
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৈশভোজে অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটার পর লেখক রাষ্ট্র, ক্ষমতা ও নাগরিক নিরাপত্তার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৈশভোজে অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটার পর লেখক রাষ্ট্র, ক্ষমতা ও নাগরিক নিরাপত্তার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন।

সে প্রায় ৪২ বছর আগের কথা। আজ কেন জানি বারবার মন ফিরে যেতে চায় সেই ছোটবেলার দিনগুলোতে। সব স্বপ্ন, সব স্মৃতি ছেড়ে এসেছি, অনেক কিছু ভুলেছি।

বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ও অলিম্পিকে শুধু সমর্থক হয়ে আছে, সরাসরি অংশ নিতে পারছে না।

২৭ এপ্রিল ২০২৬। ভোরে ঘুম থেকে উঠে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম বহুল পরিকল্পিত সামার ভ্যাকেশন কাটাতে যাওয়ার জন্য—অন্য রকম একটা অনুভূতি নিয়ে। আমি, আমার মেয়ে ও তার মায়ের মুখে এক অন্য রকম আনন্দে বিমোহিত সুখ।

দারিদ্র্য ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তাঁর মা শিক্ষার ক্ষমতায় বিশ্বাস করতেন। তিনি ৯টি সন্তানকে অমানবিক পরিশ্রম ও ভালোবাসায় বড় করেছেন এবং তাঁদের মধ্যে স্বাধীনতা ও স্বপ্নের বীজ বপন করেছেন। সুইডেনে বসবাসকারী রহমান মৃধার লেখায় মায়ের স্মৃতি জীবন্ত হয়ে উঠেছে।

প্রবাসী লেখক মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান বর্ণনা করেছেন মায়ের অতুলনীয় ভালোবাসা ও শান্তির কথা। বিলেতে প্রথম ঈদের শূন্যতা, অসুস্থতায় মায়ের দোয়া এবং মায়ের বিদায়ের কষ্ট তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে। এখন মা না থাকায় ঈদগুলো আরও একাকী লাগে।

প্রবাসী লেখক রহমান মৃধা তাঁর মায়ের জীবনী বর্ণনা করেছেন, যিনি ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতির জন্ম দেখেন এবং নয় সন্তানকে গড়ে তুলে বাংলার মায়ের শক্তি প্রমাণ করেন। ২০০৬ সালে সুইডেনের স্লাকায় ইন্তেকাল করেন তিনি। দূরপরবাসে মায়ের নীরব উপস্থিতি এবং ত্যাগের গল্প।

হোটেলে ঢুকতেই প্যারিসের মাটিতে বাংলার আসল রূপ দেখা গেল, রেস্তোরাঁটির সব টেবিল ঠাসা বাঙালিতে ভরা। সবাই হইহই করে কাচ্চি বিরিয়ানি খাচ্ছে আর উচ্চ গলায় গল্পে রেস্তোরাঁটির পরিবেশ গরম করে রেখেছে।

গুড মর্নিং বাংলাদেশ। এটি কেবল একটি শুভেচ্ছা নয়। এটি একটি আহ্বান। জেগে ওঠার, প্রশ্ন করার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান।

ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে বাংলাদেশি ইফতারির বিশেষ বাজার বাংলাদেশি ফ্লেভার। প্রবাসের মাটিতে এমন উদ্যোগ ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দের আবহ।

ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ৭৩ বছর আগে যে প্রভাতফেরির প্রচলন হয়েছিল, তার প্রতীকী রূপের দেখা মিলল বার্লিনে রাজপথে।

বাংলাদেশ দূতাবাস, আংকারার আয়োজনে তুরস্কে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬’ পালিত হয়েছে।