
উত্তাল ইরানে খামেনি শাসন কি টিকবে
প্রথমবারের মতো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য শুধু নিষেধাজ্ঞাকেই দায়ী করা যায় না।

প্রথমবারের মতো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য শুধু নিষেধাজ্ঞাকেই দায়ী করা যায় না।

ভারত সরকার এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করেনি; ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের বিরুদ্ধেও সরব হয়নি।

ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনি পরিবারের একজনকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হওয়া সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর ছেলে মোজতবা হোসেইনি খামেনিকে নির্বাচিত করা হয়েছে। ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি প্রয়াত আলী খামেনির দ্বিতীয় ছেলে।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সাত দিনব্যাপী দাফনের আনুষ্ঠানিকতা আজ শুক্রবার শুরু হয়েছে।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে দেশে দেশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী তীব্র বিক্ষোভ চলছে।

সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ড ইরানের জন্য একটি বিরাট ধাক্কা। তবে এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন ঘটবে না বা তাতে সংঘাত কমবে না।

ইরানে চলমান সর্বশেষ প্রতিবাদের ঢেউ শুরু হওয়ার তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। এর মধ্যে দেশটি টানা ১০ দিনের বেশি সময় ধরে বাইরের দুনিয়া থেকে প্রায় পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের খবরে ব্যথিত হওয়ার কথা জানিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এটি আন্তর্জাতিক আইন পরিপন্থী কাজ হয়েছে।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির নিহতের দাবি।

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি কোমে অচেতন অবস্থায় চিকিৎসাধীন বলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি গোয়েন্দা নথিতে দাবি। তিনি রাষ্ট্র পরিচালনায় অক্ষম এবং আলী খামেনির দাফন প্রস্তুতি চলছে। এতে ইরানের শাসনব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনা শুধু ইরান নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি সংকটজনক মুহূর্ত তৈরি করেছে।

আয়াতুল্লাহ খামেনিকে প্রথমে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা পিছিয়ে দেওয়া হয়।