
মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পাবে যে ১০ আয়াত পাঠে
জীবন সবসময় একইভাবে চলে না। কখনো কখনো এমন কঠিন মুহূর্ত আসে যখন মনে হয় চারপাশ থেকে অন্ধকার আমাদের ঘিরে ধরছে।

জীবন সবসময় একইভাবে চলে না। কখনো কখনো এমন কঠিন মুহূর্ত আসে যখন মনে হয় চারপাশ থেকে অন্ধকার আমাদের ঘিরে ধরছে।

পৃথিবীর সব সম্পর্কের মধ্যে সবচেয়ে পবিত্র হলো সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের ভালোবাসা। আল্লাহর ইবাদতের পরেই বাবা-মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সদাচরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শয়তান অত্যন্ত সুনিপুণভাবে মানুষের অন্তরে সংশয়, মন্দ চিন্তা আর অন্যায়ের প্ররোচনা তৈরি করে। এই অদৃশ্য শত্রুর ফাঁদ থেকে বেঁচে থাকা মুমিনের বড় সংগ্রাম।

দুনিয়ার মোহে অন্ধ হয়ে চিরস্থায়ী আখিরাতকে ভুলে যাওয়া প্রকৃত বুদ্ধিমানের কাজ নয়। দুনিয়ার আসক্তি কমিয়ে মনকে প্রশান্ত করতে কোরআনের ১০টি দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো।

অনেকেই হয়তো আমাদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন বা কষ্ট দেন। কষ্ট মনে পুষে রেখে প্রতিহিংসা পরায়ণ হওয়ার চেয়ে ক্ষমা করে দেওয়া অনেক বেশি সম্মানের।

জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত আমাদের থমকে দিতে চায়, কিন্তু পবিত্র কোরআন আমাদের শেখায় কীভাবে ধৈর্যের মাধ্যমে প্রতিকূলতা জয় করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়।

বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ–তাআলা নামাজে বিনীত ও মনোযোগী হওয়ার গুরুত্ব এবং এর সুফল বর্ণনা করেছেন। নামাজে একাগ্রতা বাড়াতে সহায়ক এমন ১০টি আয়াতের বর্ণনা।

কোরআনের বিধান পরিবর্তন হওয়া মানে এই নয় যে আল্লাহ তাঁর সিদ্ধান্ত পাল্টাচ্ছেন, বরং এটি হলো মানবজাতির ক্রমবিকাশ ও পরিস্থিতির প্রয়োজনে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত।

পবিত্র কোরআনে এমন কিছু আয়াত রয়েছে, যা গভীর সংকটেও মনে প্রশান্তি ও আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনে। ভয় ও দুশ্চিন্তা দূর করতে সহায়ক এমন ১০টি আয়াত দেওয়া হলো

মানুষের হৃদয়ে আল্লাহর প্রতি সেই প্রেম ও অনুরাগ বৃদ্ধি করতে এবং তাঁর প্রিয় বান্দা হতে পবিত্র কোরআনে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমন ১০ আয়াত।

হিংসা, অহংকার, সংশয় আর অস্থিরতা হলো অন্তরের কঠিন ব্যাধি। এই আধ্যাত্মিক রোগগুলো থেকে মুক্তি পেতে পবিত্র কোরআনের ১০টি মহৌষধ তুলে ধরা হলো।

সম্পদের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। কোরআনে সম্পদের উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।