
রমজানে আল্লাহ–তাআলার ‘দানশীলতা’
বান্দা ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করে, নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে সংযত রাখে। এর প্রতিদানও আল্লাহ নিজেই প্রদান করেন।

বান্দা ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করে, নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে সংযত রাখে। এর প্রতিদানও আল্লাহ নিজেই প্রদান করেন।

পিতৃত্ব একজন মানুষের ওপর অনেক বড় দায়িত্বের বোঝা তৈরি করলেও একে আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য একটি বিশেষ উপহার ও অনুগ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

আয়াতটি প্রাকৃতিক বিজ্ঞান সংক্রান্ত আলোচনার সমাপ্তিতে এসেছে। এটি নির্দেশ করে যে মহাবিশ্বের সৃষ্টিশৈলী যারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, তারাই আল্লাহর মহিমা বুঝতে সক্ষম হন।

রোজাদার ব্যক্তির কাজ হলো, কেবল বড় গুনাহ নয়, নিজেকে সব ধরনের গুনাহ থেকে দূরে রাখবেন। তাহলে তিনি আল্লাহর রহমত, করুণা ও ক্ষমা লাভ করবেন।

কোরআন ও হাদিস আমাদের শেখায়, মন যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে, তখন কিছু আমল তাকে জীবন্ত করে, দুশ্চিন্তা দূর করে এবং বান্দাকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে আনে।

ব্যাকুলতা অর্জনের জন্য প্রথম শর্ত আল্লাহকে চেনা, যাকে বলে ‘মারেফাত’। যখন মানুষের অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিত হয়, তখন সে বিপদের মাঝেও আল্লাহর দান দেখতে পায়।

নেয়ামত কেবল ভোগের জন্য নয়; বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও রয়েছে। তা হলো শোকর বা কৃতজ্ঞতা। কৃতজ্ঞতা ছাড়া নেয়ামতের প্রকৃত অর্থ পূর্ণতা পায় না।

এর অর্থ এই নয় যে বৈজ্ঞানিক ভাষাকে ধর্মীয় ভাষা দ্বারা প্রতিস্থাপন করতে হবে। বরং উভয়কে এমন একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যামূলক কাঠামোর মধ্যে স্থাপন করতে হবে।

মৃত্যু কোনো দূরবর্তী সম্ভাবনা নয়। এটি এমন এক বাস্তবতা, যা প্রতিনিয়ত আমাদের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তাই প্রতিটি মুমিনের উচিত মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ করা।

কিছু দুঃখ আছে যা সবাইকে বলা যায় না; আবার কিছু ব্যথা ভাষায় প্রকাশ করাও কঠিন। এ সময় মানুষ এমন কাউকে খোঁজে, যার কাছে নির্ভয়ে সব বলা যায়।

অনেকেই মনে করেন, মুত্তাকি মানেই এমন ব্যক্তি যার কখনো কোনো গুনাহ হয় না; অথচ কোরআনের শিক্ষা হলো, মুত্তাকি মানেই নিষ্পাপ মানুষ নয়।

মানুষের আত্মার প্রশান্তি ও হৃদয়ের সজীবতা শুধু তখনই সম্ভব, যখন সে তার প্রতিপালককে তাঁর নাম, গুণাবলি ও কার্যাবলির মাধ্যমে চিনতে পারে।