
অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোয় থাকবে বডি–ওর্ন ক্যামেরা: প্রেস সচিব
সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন–সংক্রান্ত গণভোটকে সামনে রেখে নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।

সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন–সংক্রান্ত গণভোটকে সামনে রেখে নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।

মিরপুর এলাকায় পানির সঙ্গে গ্যাসের সমস্যা, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ, খালে অবৈধ দখল, জলাবদ্ধতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, কিশোর গ্যাং ও পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতার সংকট রয়েছে।

জাতীয় নির্বাচন, জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগসহ গত ছয় মাসের কর্মকাণ্ড সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে জানিয়ে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার বলেন, অপরাধীদের ধরতে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। নির্বাচনী প্রচারণা অনেকটা জমে উঠেছে। এখন পর্যন্ত বড় কোনো সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হয় এমন কোনো অঘটন না ঘটলেও নিরাপত্তা ও ভোটের পরিবেশ নিয়ে জনমনে বড় শঙ্কা রয়েই গেছে।

নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়নে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা এলাকা পরিদর্শন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনঃপ্রতিষ্ঠায়। গত ১৬ মাসেও মব–সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।

সবচেয়ে বড় যে প্রয়োজন ছিল, তা হলো বিদ্যমান শাসনের দৃঢ়তা। অর্থাৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একটি সুস্পষ্ট এবং সমন্বিত বার্তা দেওয়া।

ইরানের প্রেসিডেন্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।

বিএনপি সরকারের বয়স আড়াই মাসের একটু বেশি। এই অল্প সময়েই সরকারকে একসঙ্গে কয়েকটি অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে—সংস্কার প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন, গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিয়োগে বিতর্ক, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি পরিস্থিতি এবং বাড়তে থাকা অর্থনৈতিক চাপ।

সরকার বলেছে, বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে এবং একপর্যায়ে জলকামানের ওপর উঠে গেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে।

লক্ষ্মীপুর পৌরশহরে ১৪৪ ধারা জারির মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলের চেষ্টায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ওসিসহ ১০ জন আহত হলে দুজনকে আটক করা হয়। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।