
এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ ৪১ শতাংশ বেড়েছে
একবছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বাড়ল ৪১%

একবছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বাড়ল ৪১%

অর্থ পাচারের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সিআইডি বলেছে, তারা অর্থ পাচার ও আর্থিক অপরাধ দমনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

অভিযানে তিন অনলাইন জুয়ার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি, তাঁরা অনলাইন বেটিংয়ের মাধ্যমে অর্থ পাচার করছিলেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ১১টি গ্রুপ নিয়ে তদন্ত শুরু। ৬টির ‘পাচার করা’ টাকা খুঁজতে চুক্তি করেছে ১০ ব্যাংক।

গুলশান থানার ওসিকে নথি সংগ্রহ করে সিআইডির মালিবাগ কার্যালয়ে পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রথম ধাপে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম এবং শিল্প গ্রুপ বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন–সংশ্লিষ্ট ছয়টি মামলায় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন।

গত ১৯ মে সম্পদ জব্দের আদেশ দেন আদালত।

বাংলাদেশ সরকার পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়ার পর যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি ব্যক্তিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি মূল্যের সম্পদ জব্দ করা হয়েছে।

আরএসএসের সঙ্গে কংগ্রেসের দ্বন্দ্ব নতুন মাত্রা পেল। কংগ্রেস–শাসিত কর্নাটকের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে শতাব্দীপ্রাচীন এই সংগঠনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ এনেছেন।

২০২৫ সালের হিসাবে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ কোটি ৪১ লাখ সুইস ফ্রাঁ (সুইজারল্যান্ডের মুদ্রা)। ২০২৪ সালে এর পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৯ কোটি সুইস ফ্রাঁ।

বর্তমান সরকার দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং এবং আর্থিক অপরাধ দমনের কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিদেশে পাচার করা সম্পদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন।