
ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যেই বর্তমান বাজেট: চিফ হুইপ
চিফ হুইপ দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি মোকাবিলায় ব্যাংকিং খাতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।

চিফ হুইপ দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি মোকাবিলায় ব্যাংকিং খাতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।

নতুন সরকারের সামনে রয়েছে জন–আকাঙ্ক্ষা, সামাজিক সুরক্ষার রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ। অন্যদিকে একটি দুর্বল রাজস্ব কাঠামো, যা পুরোনো চিন্তায় বন্দী।

বিএনপি সরকারের বয়স আড়াই মাসের একটু বেশি। এই অল্প সময়েই সরকারকে একসঙ্গে কয়েকটি অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে—সংস্কার প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন, গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিয়োগে বিতর্ক, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি পরিস্থিতি এবং বাড়তে থাকা অর্থনৈতিক চাপ।

আজ সোমবার রাজধানীর বারিধারায় জাপানি দূতাবাসে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ–জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির (ইপিএ) সুযোগ সর্বোচ্চ কাজে লাগানো’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ কথাগুলো বলেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত।

উন্নয়ন পরিকল্পনার কাঠামোতে চারটি বড় সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। অর্থনৈতিক কৌশল প্রণয়ন অ্যাডভাইজরি কমিটির দ্বিতীয় সভায় এ তথ্য জানানো হয়। এর মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনের পথ সুগম করা হবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির গতি অনেক দিন ধরেই মন্থর অবস্থায় রয়েছে। নতুন অর্থবছরে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেন আবার গতিশীল হয়ে ওঠে।

অন্তর্বর্তী সরকারকে ইঙ্গিত করে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, তারা নির্বাচিত সরকার ছিল না। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তাদের সক্ষমতার ঘাটতি ছিল, ছিল সমন্বয়ের অভাব। তাদের স্পষ্ট কোনো অর্থনৈতিক ভিশনও ছিল না।

অনুষ্ঠানে খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, অর্থনৈতিক সংস্কারের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারের সময়েও রাখা জরুরি।