
অর্থনীতিবিদ আর এম দেবনাথ মারা গেছেন
রমণী মোহন দেবনাথ ব্যাংক ও অর্থনীতিবিষয়ক গবেষণার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।

রমণী মোহন দেবনাথ ব্যাংক ও অর্থনীতিবিষয়ক গবেষণার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।

আজ সোমবার ‘বেসরকারি খাতনির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পুনরুজ্জীবন: নতুন সরকারের সামনে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ কথা বলা হয়েছে।

নির্বাচিত সরকারের কাছে তিন দিক থেকে মানুষের প্রত্যাশা রয়েছে। এক. অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটিয়ে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও মানুষের আয় বাড়বে।

যুক্তরাজ্যে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলো স্থায়ী কর্মী নয়; বরং অস্থায়ী কর্মী নিয়োগে ঝুঁকছে

বাস্তবতা হলো, কোনো প্রতিষ্ঠানের জীবনের প্রতিটি ধাপ যেন বাধা অতিক্রমের পথ পেরোতে হয়। ব্যবসা শুরু করতে হলে নিবন্ধন ও অনুমোদনের পেছনে ছুটতে হয়।

অর্থমন্ত্রী যে বাজেট ঘাটতি করেছেন, তার ৪৬ শতাংশ অর্থই আসবে ব্যাংক খাত থেকে।

বাংলাদেশের জ্বালানিসংকটে অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখার জন্য সুপরিকল্পিত আমদানি, চাহিদা ব্যবস্থাপনা, কড়াকড়ি মুদ্রানীতি এবং লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তার প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের মাধ্যমে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই সংকটকে সংস্কারের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানো উচিত।

নতুন বছরের প্রত্যাশা হলো, দেশে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা যেন থাকে। কারণ, স্থিতিশীলতা ছাড়া কোনো অর্থনীতি টেকসইভাবে এগোতে পারে না।

ধরা যাক, আগামীকালই ইরান, যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েল শান্তিচুক্তি করল, হরমুজ প্রণালিও খুলে গেল।

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) বা প্রথম প্রান্তিকে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ শতাংশ বেড়েছে।

বার মাসে তেরো পার্বণের এই বাংলাদেশে আমাদের উৎসব লেগেই থাকে। উৎসব শুধু আমাদের আনন্দ দেয় না, এটি আমাদের অপ্রচলিত অর্থনীতির মূল চালিকা কিন্তু এই প্রায় ট্রিলিয়ন টাকার লেনদেনকে কাজে লাগাতে বাংলাদেশ চরমভাবে ব্যর্থ।।

অর্থনীতি ১ম পত্র: বহুনির্বাচনি প্রশ্ন