
কাঁধ ও হাঁটুতে আঘাত পেলে বা ব্যথা হলে যে কারণে অবহেলা করবেন না
কাঁধ ও হাঁটু আমাদের শরীরের সবচেয়ে সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ জোড়া। হাঁটা, দৌড়ানো, বসা, ওঠা, হাত তোলা—প্রতিটি কাজেই এদের ভূমিকা অপরিহার্য।

কাঁধ ও হাঁটু আমাদের শরীরের সবচেয়ে সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ জোড়া। হাঁটা, দৌড়ানো, বসা, ওঠা, হাত তোলা—প্রতিটি কাজেই এদের ভূমিকা অপরিহার্য।

সারা দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় আজ রোববার হাম–রুবেলার জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নবাবগঞ্জ থেকে এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং বিগত সরকারের অবহেলার কথা উল্লেখ করেন।

গ্রামের মানুষের কাছে মাঠটি ছিল শুধু খেলাধুলার জায়গা নয়, এটি ছিল সামাজিক যোগাযোগের কেন্দ্র ও নতুন প্রজন্মকে সুস্থ বিনোদনের দিকে টেনে নেওয়ার এক অনন্য মাধ্যম। স্কুল ছুটির পর কিশোরদের দৌড়ঝাঁপ, বড়দের আড্ডা, টুর্নামেন্ট ঘিরে উৎসব—সব মিলিয়ে মাঠটি ছিল জনজীবনের অংশ।

শুক্রবার সকালে রাজশাহী সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান।

নারী চিকিৎসকের রহস্যজনক মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

মায়ের মৃত্যু: যুগ্ম সচিব প্রত্যাহার

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চিকিৎসাধীন জিন্নাত আলীর মৃত্যু ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। আদালত শেরেবাংলা নগর থানাকে ১৬ জুনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযোগে হাসপাতাল থেকে বেসরকারি ক্লিনিকে স্থানান্তর, টাকা দাবি ও হামলার কথা উঠেছে।

হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলার অভিযোগ তুলে সিপিবি বিক্ষোভ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে। রাজধানীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামনে সমাবেশ করে স্মারকলিপি সোপর্দ করা হয়। চার শতাধিক শিশুর মৃত্যুকে অবহেলার ফল হিসেবে চিহ্নিত করে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

পল্লবীর শিশুটির বাবা বলেন, ‘আমি জানতে চাই—এই দায়িত্ব কে নেবে? এই দায়িত্ব কি আমার অবহেলা, সমাজের অবহেলা না রাষ্ট্রের অবহেলা?

৪৭তম বিসিএসের ফলাফলে দেখা গেছে, বিশেষায়িত ক্যাডারগুলোতে যোগ্য প্রার্থীর তীব্র সংকট। আইসিটি, গণিত, রসায়নের মতো বিষয়ে শত শত পদ শূন্য রয়েছে। মেধাবীরা নিজেদের ডিগ্রি অবহেলা করে শুধু সাধারণ ক্যাডারের জন্য পড়ছেন।

বর্তমান যুগে অগ্রসর বিদ্যাচর্চাকে অবহেলা করে মাদ্রাসাশিক্ষার প্রাচীন পাঠ্যক্রমগুলোর মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রেখে টিকে থাকা যে অসম্ভব, আলেম–সমাজ তা অনুধাবন করতে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ধর্মের ক্ষেত্রেও যে যুক্তি, মননশীলতা, জ্ঞান–বিজ্ঞান ও তর্কবিতর্কের অবকাশ রয়েছে, তার এক নীরব সাক্ষী অতীতের মাদ্রাসার পাঠ্যক্রম, যেখানে যুক্তিবিজ্ঞান ও তর্কশাস্ত্র (মানতেক), দর্শন (ফালসাফা), স্বাধীন বুদ্ধিবৃত্তিক প্রচেষ্টা ও নিত্যনতুন সমস্যাগুলোর সৃজনশীল সমাধান (ইজতেহাদ) ইত্যাদি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হতো।

নিহতের বড় ভাই অভিযোগ করেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সচেতন থাকলে, সেখানে যাঁরা দায়িত্ব পালন করছিলেন তাঁরা দায়িত্বে অবহেলা না করলে এভাবে আমার ভাইকে মরতে হতো না।’