
আন্দোলনকালে স্টারলিংকের মাধ্যমে ইরানে অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে: ঢাকায় ইরানি রাষ্ট্রদূত
আজ রোববার সকালে ঢাকায় ইরান দূতাবাসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন জলিল রহিমি জাহনাবাদি।

আজ রোববার সকালে ঢাকায় ইরান দূতাবাসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন জলিল রহিমি জাহনাবাদি।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক অপতথ্য ছড়ানোর একটি বড় হাতিয়ার হয়ে উঠেছে সংবাদমাধ্যমের আদলে তৈরি ভুয়া ফটোকার্ড। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব গ্রাফিক কার্ডে পরিচিত সংবাদমাধ্যমগুলোর লোগো, ফন্ট, রং ও নকশা হুবহু নকল করা হচ্ছে, যাতে বানোয়াট তথ্যও সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়।

প্রযুক্তিনির্ভর গুজব ও অপতথ্য যেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কোনো রকম বাধাগ্রস্ত না করতে পারে, তার জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি।

ফেসবুকসহ অনলাইনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অন্য দলের নারী এবং সার্বিকভাবে নারীদের নিয়ে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ছড়াচ্ছেন, বাজে মন্তব্য করছেন।

ডিডব্লিউ গ্লোবাল মিডিয়া ফোরামে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, ক্রমবর্ধমান কর্তৃত্ববাদ, আস্থা পুনর্গঠন এবং এআই প্রযুক্তির প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জগুলো বিশ্লেষণ করেন।

সরকার সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন করে মেটাকে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে বাধ্য করার উদ্যোগ নিচ্ছে।

ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের সহজলভ্যতায় বাংলাদেশে গত এক দশকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ডিজিটাল দুনিয়া এখন শুধু মতপ্রকাশের ক্ষেত্রই নয়, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার, জনমত নির্মাণ, বাণিজ্যযুদ্ধ—এমনকি চরিত্রহননের এক নতুন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এই যুদ্ধের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হলো ‘বট বাহিনী’ বা ‘ট্রল আর্মি’ বা ‘বট ফোর্স’।

বাংলাদেশে ভুয়া তথ্য বাড়ছে। এর জন্য মিডিয়ার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মতিউর রহমান চৌধুরী উল্লেখ করেছেন।

জাহেদ উর রহমান রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র, গণমাধ্যম তথ্য, অর্থনৈতিক প্রকল্প ও নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর।

চাঞ্চল্যকর তথ্য শেয়ার করার আগে থামা, প্রশ্ন করা—কার লাভ হচ্ছে এই গল্পে বা বয়ানে এবং প্রমাণকে আবেগের ওপরে স্থান দেওয়াই এখন গণতন্ত্র রক্ষার প্রধান হাতিয়ার।

সোশ্যাল মিডিয়া একটু স্ক্রল করলেই অনেক ফটোকার্ড চোখে পড়ছে ইদানীং। বিশেষ করে এই নির্বাচনকে সামনে নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এই ফটোকার্ড নিয়ে চরম যুদ্ধ শুরু হয়েছে। কে কী বলেছে, সেটা নিয়ে চলছে কাটাছেঁড়া। তবে আমি যেটা দেখতে পারছি, সরাসরি মিথ্যার চেয়েও ভয়ংকর হলো ‘আউট অব কনটেক্সট’ বা প্রসঙ্গের বাইরে গিয়ে একটি ন্যারেটিভ প্রচার করা।