
ভিক্টোরিয়ান নারীর লম্বা চুলের সংস্কৃতি
ভিক্টোরিয়ান নারীদের কাছে চুল কখনোই কেবল চুল ছিল না; এটি ছিল তার মুকুটের গৌরব হিসেবে। এমন একটি ধারণা, যা মূলত ধর্মীয় সূত্র থেকে আসে।

ভিক্টোরিয়ান নারীদের কাছে চুল কখনোই কেবল চুল ছিল না; এটি ছিল তার মুকুটের গৌরব হিসেবে। এমন একটি ধারণা, যা মূলত ধর্মীয় সূত্র থেকে আসে।

বই নিয়ে যে কত কিছু জানার আছে, তা সবার কাছে সহজবোধ্য করে তুলে ধরার কাজটি সম্ভবত বাংলাদেশে এভাবে আগে কেউ করেননি।


ফার্মগেটে ব্যাংক কর্মী রোকনের পায়ের রোগ জীবনকে জর্জরিত করছে। অদ্ভুত গন্ধের অনুভূতি, ঘুমহীন রাত, ফ্যান্টম লিম্ব সিনড্রোমের ছায়া। রাহেলার স্মৃতি নিয়ে বান্দরবানের যাত্রায় শেষ ধাপে পা হারাল রোকন।

ভ্লাদিমির সলোভিয়ভ (১৬ জানুয়ারি ১৮৫৩—১৩ আগস্ট ১৯০০) ছিলেন রাশিয়ার একজন অসাধারণ দার্শনিক, ধর্মতাত্ত্বিক, কবি ও মরমি চিন্তাবিদ। উনিশ শতকের শেষভাগে রুশ বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে তিনি দর্শন, ধর্ম, কবিতা ও মিস্টিসিজমকে একত্র করে একধরনের সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন। অনেকেই তাঁকে আধুনিক রুশ ধর্মদর্শনের প্রধান পথিকৃৎ মনে করেন।

মোতালিবের দিশাহারা কানে এসব কথার কিছুই পৌঁছায় না। তার হঠাৎ মনে হয়, হাত–পা অবশ হয়ে তার চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসছে। কালো সড়কটা এইবার বড় হতে হতে তার বুকের ওপর দিয়ে রক্ত, মাংস, হাড়, পাঁজর গুঁড়ো করে সামনের দিকে চলে যাচ্ছে।

বিচারপতি পালের রায়ের তাৎক্ষণিক প্রভাব আদালতে সীমিত হলেও দীর্ঘ মেয়াদে এর প্রতিক্রিয়া ছিল সুদূরপ্রসারী। ১৯৫২—১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘের ‘ইন্টারন্যাশনাল ল কমিশন’-এর সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর রায়ই প্রথমবারের মতো বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছিল—যুদ্ধাপরাধের বিচারে একটি স্থায়ী, নিরপেক্ষ ও সুসংগত আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামো দরকার। এই উপলব্ধি থেকেই পরবর্তীকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ধারণা বিকশিত হয়।

বিশ শতকের ইতিহাসে খুব কম মানুষই আর্নেস্তো ‘চে’ গুয়েভারার মতো এতটা ভক্তি জাগাতে এবং একই সঙ্গে এতটা বিতর্ক উসকে দিতে পেরেছেন।

আসলে তাঁর উন্নয়ন-চিন্তাধারায় রবীন্দ্রনাথ সমাজ ও রাষ্ট্রের মধ্যে যে পার্থক্য করেছিলেন, উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে রাষ্ট্র-নিরপেক্ষ করে যেভাবে সমাজনির্ভর করতে চেয়েছিলেন এ শতাব্দীর আন্তর্জাতিক, রাষ্ট্রীয় ও সমাজকাঠামোয় তা বাস্তবসম্মত নয়।


বামপন্থীদের দুটি পক্ষই ধর্মীয় পরিচয়বাদের রাজনীতির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবাদী পরিচয়বাদের রাজনীতি নিয়ে তাঁদের অপর অংশটি কি সমান সচেতন? সচেতন হলে এই পরিচয়বাদ রক্ষার নামে কর্তৃত্ববাদী শাসনের সমর্থন কীভাবে সম্ভব?

শহরের এক উঁচু স্মার্ট টাওয়ারের ৪৩ তলায় আমাদের বসবাস। এখানকার প্রায় সব নির্জীব বস্তুই তার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে আমাদের আরাম–আয়েশের জন্যে। আমার ঘুম ভেঙে যাওয়ায় ঘরের দেয়ালের স্বচ্ছতা ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে। ভোরের সূর্যের মোলায়েম আলো অল্প অল্প করে ঘরে ঢুকতে শুরু করেছে।