
জেন সন্ন্যাসী সান্তোকা তানেদা
তাঁর কবিতায় অভিযোগ বা প্রতিরোধ খুব কম। তিনি বৃষ্টিতে ভিজুন, রোদে পুড়ুন বা একাকিত্বে কাটান—বর্তমান পরিস্থিতিকে পুরোপুরি স্বীকার করে নিতেন।

তাঁর কবিতায় অভিযোগ বা প্রতিরোধ খুব কম। তিনি বৃষ্টিতে ভিজুন, রোদে পুড়ুন বা একাকিত্বে কাটান—বর্তমান পরিস্থিতিকে পুরোপুরি স্বীকার করে নিতেন।

শুধু রাজনৈতিক কবিতার মধ্যে লিভারটভের সুনাম সীমাবদ্ধ থাকেনি; কবিতার আঙ্গিক নিয়ে তাঁর ‘অর্গানিক ফর্ম’ তত্ত্বটি আজও বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থীদের পড়ানো হয়।

আমি তখন এমন অবস্থায় ছিলাম যে ভাগ্য মেনে নেওয়া ছাড়া আর উপায় ছিল না। মাথা নিচু করলাম। তখনো বুঝতে পারিনি যে আমি এক ভয়ঙ্কর ফাঁদে পা দিয়েছি—

আমাদের সামাজিক অস্তিত্বের মধ্যে এই টানাপোড়েন, এই দোদুল্যমানতা নিহিত আছে এবং এ থেকে পালিয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নেই।

তাঁর কবিতায় একধরনের ‘মিস্টিক’ বিষাদ ও শান্তির ছোঁয়া পাওয়া যায়। হেসের কবিতায় কোনো অলংকারের বাহুল্য নেই, আছে শান্ত স্বীকারোক্তি।

জুনকো কিছুক্ষণ ভেবে দেখে। কিন্তু বুঝতে পারে না মিয়াকি কী বোঝাতে চেয়েছে। তারপর জুনকো বলে, ‘কখনোই ভাবিনি আমি কীভাবে মরব। তা নিয়ে ভাবতেই পারি না। শুধু তা-ই নয়, আমি কীভাবে বাঁচব, সেটাই তো জানি না।’

কাতাগিরি তার অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকে দেখে—একটা বিশাল ব্যাঙ তার জন্য অপেক্ষা করছে। পেছনের দুই পায়ে দাঁড়ানো সে ব্যাঙ ছয় ফুটের বেশি লম্বা, শক্তপোক্ত তার শরীর।

গঠনগত দিক থেকে ‘মৃত আত্মা’ ইউরোপীয় পিকারেস্ক ধারায় রচিত। এখানেও নৈতিকভাবে দ্ব্যর্থক নায়কের বিচ্ছিন্ন ও পর্বভিত্তিক অভিযাত্রা অনুসরণ করা হয়েছে।

অল্প সময়ের মধ্যেই সে সেই বাক্সের ভেতরেই বড় হতে শুরু করল। প্রতিবছর শেষের বালিশ থেকে একটু করে তুলা বের করে দেওয়া হতো, যাতে তার বৃদ্ধির জন্য জায়গা তৈরি হয়।

গত শতকের ষাটের দশকে ভিয়েতনাম যুদ্ধে মার্কিন হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে যেসব কবি কলম ধরেছেন, তাঁদের অন্যতম ডেনিস লিভারটভ (১৯২৩–১৯৯৭)।

মায়ের দিন কাটে ধনীদের বাড়িতে কাপড় কাচায়; অন্ধ স্বামীর দিন কাটে দরিদ্রদের ঘরে কোরআন তিলাওয়াতে। বিকেলে সেই এককক্ষের বাসায় ফিরে আসা তার অভ্যাস ছিল না।

তোমরা যারা নিশ্চিন্তে তীরে বসে আছ, তোমাদের টেবিলে খাবার, পরনে দামি পোশাক—