
মধু মাখানো কেক
‘তাই মধুতে মাসাকিচির থাবা ভরে যায়—এত বেশি মধু যে সে একা খেয়েও শেষ করতে পারে না। সে তাই মধুগুলো একটা বালতিতে ভরে নেয়।

‘তাই মধুতে মাসাকিচির থাবা ভরে যায়—এত বেশি মধু যে সে একা খেয়েও শেষ করতে পারে না। সে তাই মধুগুলো একটা বালতিতে ভরে নেয়।

সাভারের ট্যানারির মালিকেরা বলছেন, এ বছর কমবেশি ১ কোটি পিস কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়ছে।

ঈদের দিন গ্রামে ঘুরে চামড়া কিনে বিপাকে পড়েছেন গাইবান্ধার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে চামড়া কেনার পর স্থানীয় পাইকারেরা তা কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। ফলে কেউ লোকসানে বিক্রি করছেন, কেউ আবার বাড়িতে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করছেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী কাঁচা চামড়ার ক্রেতা ও বিক্রেতা, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। বাজার পরিস্থিতি, মূল্য, সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক কার্যক্রম সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন তিনি।

‘সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘুরে ৪০টি গরুর চামড়া সংগ্রহ করেছি। বড় আর মাঝারি আকারের চামড়া। প্রতিটি কিনেছি গড়ে ৪০০ টাকা করে। ১ হাজার টাকা গাড়িভাড়া দিয়ে চট্টগ্রাম নগরের চৌমুহনী এলাকায় এনেছি। এখানে ১৫০ টাকার বেশি কেউ দিতে চাইছে না।’

মাঝারি আকারের গরুর কাঁচা চামড়া ৫০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত বছর একই ধরনের চামড়ার দাম ছিল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে।

চামড়ার বাজারে নজিরবিহীন ধস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চামড়ার সঠিক মূল্য না পেয়ে হতাশায় অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ী বা সাধারণ মানুষ চামড়া মাটির নিচে পুঁতে ফেলছেন।

মকবুল সাহেব হতভম্ব হয়ে গরুর ব্যাপারীর দিকে তাকিয়ে রইলেন। লোকটা রসিকতা করছে বলে মনে হলো না। এবং আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, লোকটা তাঁর সামনেই তাঁর মতো গরু কিনতে আসা আরও দুজনকে ওই একই পরামর্শ দিল।


স্থানীয় উৎপাদকদের মূল অভিযোগ হলো, শুল্ক নির্ধারণের পদ্ধতি নিয়ে। তাঁরা আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রসাধনী খাতের কর ও শুল্ককাঠামো পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।

সেদিন আমি চিকেন টিক্কা-তন্দুরি কিনতে গেছিলাম, নাকি চিকেন ঝাল ফ্রাই আর পরোটা, তাতে কিছুই যায় আসে না। আসল কথা হলো, রেস্টুরেন্টে গিয়ে আমি কী শুনেছিলাম।

দেশের সব কারখানায় শ্রমিকদের ঈদ বোনাস ২১ মের মধ্যে এবং মাসিক বেতন নির্ধারিত তারিখে আবশ্যিকভাবে পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।