
ইরানে আবার ‘কঠোর’ আঘাত হানবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
ইরানে ‘কঠোর’ আঘাত হানার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানে ‘কঠোর’ আঘাত হানার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানের সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুতগতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করছে ইরান। এমনকি গত এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতির মধ্যে ড্রোন বানানোও শুরু করে দিয়েছে। এমন খবর পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

ইরানের ক্ষমতা এখন ধর্মীয় নেতৃত্বের চেয়ে সেনাবাহিনীর দিকে বেশি হেলে পড়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র একটি চুক্তিতে পৌঁছার খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।

দুবাই বন্দরে কুয়েতি ট্যাংকারে ড্রোন হামলার ঘটনা সত্ত্বেও কোনো ভিডিও বা ছবি জনসমক্ষে আসেনি। ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইউএই কঠোর সেন্সরশিপ আর গ্রেপ্তারের নীতি চালু করেছে। ইনফ্লুয়েন্সারদের জাঁকজমকের আড়ালে লুকিয়ে আছে বাসিন্দাদের আতঙ্ক।

জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির চাপের মধ্যেই ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে একটি জাহাজ আজ বৃহস্পতিবার দেশে পৌঁছেছে। ইউনিপেক নামের চীনের একটি প্রতিষ্ঠান চুক্তি অনুযায়ী এই জ্বালানি সরবরাহ করেছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাব মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল বুধবার জরুরি বৈঠকে বসছেন।

ইরান যুদ্ধে ধর্মের কার্ড যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকেও বিভক্ত করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট হতে পারে—এমন আতঙ্কে খুলনা ও সিলেটের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল কিনতে ভিড় করছেন চালকেরা। কোথাও ‘তেল নেই’, কোথাও নির্দিষ্ট পরিমাণে বিক্রি করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ওপর হামলা জোরদার করছে ইরানপন্থী বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী। তাদের লক্ষ্যবস্তুও করছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।

যুদ্ধের দ্বিতীয় দিন থেকেই ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর দৃশ্যমান ক্ষয়ক্ষতির বোঝা চাপিয়ে দিতে শুরু করে। তাদের এই কৌশলে চাপে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র।