
প্রশাসনের একটি অংশ একদিকে হেলে পড়ছে: ইসিকে জামায়াত
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় দেখা যাচ্ছে, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ‘১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে’ এখনো আসনভিত্তিক ঐক্য আসেনি। ৬৫টি আসনে রয়ে গেছে একাধিক প্রার্থী।

জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার বিষয়ে আলোচনার জন্য জামায়াতে ইসলামী সংসদে নোটিশ দিয়েছে। আজ রোববার সংসদে এই নোটিশ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানিয়েছেন, জরুরি নোটিশের আলোচনা শেষে এটি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের বিষয়ে আদালতের রায় দেখেই রাজনৈতিক কর্মসূচির বিষয়ে চিন্তাভাবনা করবে জামায়াতে ইসলামী।

জুলাই সনদের আলোকে সংস্কার বাস্তবায়নের দাবিতে সারা দেশে আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘সারা দেশে এখন আন্দোলন চলছে।

আমরা যারা ১৯৭৫ সালের পর জন্মেছি, ‘বুঝদার’ হওয়ার পর থেকে তাদের মাথায় কিছু বাস্তবতা খুব গভীরভাবে গেঁথে ছিল। ছোটবেলায় আমরা বুঝিনি, নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী কেন ধর্মকে ‘রাজনৈতিক ব্যবসা’ হিসেবে নিত।

প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ বা অবৈধ ঘোষণার ক্ষেত্রে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) পক্ষপাতিত্ব করছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

প্রথমবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংসদীয় কার্যক্রম, বিল-বাজেট, স্থায়ী কমিটির কাজসহ বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা দিতে দুই দিনের কর্মশালার আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী।

সংবিধান সংশোধনে সরকারের প্রস্তাবিত বিশেষ কমিটিতে নাম দেবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি জামায়াতে ইসলামী।

গঠনমূলক সমালোচনা এবং সংসদে সরকারি সিদ্ধান্তের বিকল্প নীতিপ্রস্তাব দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ বা ‘শ্যাডো গভর্নমেন্ট’ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার লাকসাম স্টেডিয়ামে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন দলটির আমির শফিকুর রহমান।

কমিউনিকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিআরএফ) ও বাংলাদেশ ইলেকশন অ্যান্ড পাবলিক অপিনিয়ন স্টাডিজ একসঙ্গে এই জরিপ করেছে।