
ভোটের গল্প: নির্বাচনী স্মৃতি
ওমুক প্রার্থী আসবে—মাঠ সাজানো হতো। ছোট ছোট লিফলেট দিয়ে বিয়েবাড়ির মতো রঙিন করে তোলা হতো চারপাশ। কখনো-বা মাঠের পাশে খিচুড়ি রান্না হতো। কী যে মজার খিচুড়ি!

ওমুক প্রার্থী আসবে—মাঠ সাজানো হতো। ছোট ছোট লিফলেট দিয়ে বিয়েবাড়ির মতো রঙিন করে তোলা হতো চারপাশ। কখনো-বা মাঠের পাশে খিচুড়ি রান্না হতো। কী যে মজার খিচুড়ি!

‘দিনে কয়েকবার করে ভোট চাইতে আসে, তবে কাউকে বলিনি, ভোট কাকে দেব,’ তাঁর সাবলীল উত্তর।

গত ৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ও ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য দিনটি ছিল এক অনন্য অভিজ্ঞতার। ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ১১ তলা সুউচ্চ ভবনের আভিজাত্যের আড়ালে যে এক বিশাল কর্মযজ্ঞ চলে, তা নিজ চোখে প্রত্যক্ষ করার সুযোগ হয়েছে আমাদের।

টেকসই উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক শুদ্ধাচার বিষয়ে তরুণদের করণীয় নির্ধারণে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রংপুর–৪ আসনে ভোটের রাজনীতি বদলানোর কথা বলছেন আখতার হোসেন। নির্বাচনী মাঠে তাঁর প্রচারণা ঘিরে স্থানীয় ভোটারদের আগ্রহ বাড়ছে।

গ্রামের মনোহর আলী মাস্টারের বাড়িতে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি এসে আশ্রয় নিতে থাকে। তাঁর নীরব সহনশীলতায় পাখিরা বাড়ির গাছপালায় বসত শুরু করে

ঈদ, পূজা, বিবাহ মৌসুমে হস্তশিল্পের বিক্রি প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়, যা এই খাতের অর্থনৈতিক গতিশীলতারই প্রমাণ।

হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের এখনো তিন বছর বাকি আছে। সামনের তিন বছরে আর্থিক, সামাজিক, ভূরাজনৈতিকসহ বৈশ্বিক কাঠামো ব্যবস্থাপনায় কেমন পরিবর্তন হয়, সেদিকে চোখ রাখবে বিশ্ববাসী।

মোহাম্মদপুরের দিকে হাঁটা দিই। সত্যি কথা বলতে কি, এদিকে এলেই কেন যেন গা ছমছম করে। এখানে চুরি-ছিনতাই নৈমিত্তিক ব্যাপার। তা ছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে আইনশৃঙ্খলার সবচেয়ে বেশি অবনতি হওয়া এলাকার মধ্যে মোহাম্মদপুর অন্যতম।

মা এমন চাপা হেসে হেসে বাবাকে জিজ্ঞেস করেন যে কী ভালো লাগে দেখতে! কই, বাবা যখন শাড়ি কিনে দেন, তখনো তো এত মিষ্টি করে মা হাসেন না।

এপস্টেইনের ঘটনা আমাদের প্রথম যে সত্যটির মুখোমুখি দাঁড় করায় তা হলো অপরাধ কখনো একা জন্মায় না। অপরাধের আগে জন্মায় ভয়। ভয় থেকে নীরবতা। নীরবতা ধীরে ধীরে একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়। যে সংস্কৃতিতে প্রশ্ন করা বেয়াদবি, সন্দেহ প্রকাশ বিপজ্জনক আর চুপ থাকাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

ফুটপাতে দোকানে নেড়েচেড়ে ফল দেখি আর কথা বাড়ানোর চেষ্টা করি। লোকটার চিন্তাধারা বাস্তবমুখী। অনেকটা মজার ছলেই যা বলল, তার সারমর্ম—কাজ না করে যদি মিছিল-মিটিংই জীবিকার মাধ্যম হয়, তাহলে সেখানে দুর্নীতির প্রকোপ কোনোভাবেই কমবে না।