
ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন নীতিনির্ধারকদের ধারণা, নতুন করে ভয়াবহ হামলার পর ইরান নমনীয় হতে বাধ্য হবে। পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার টেবিলে আসতে আগ্রহী হবে।

মার্কিন নীতিনির্ধারকদের ধারণা, নতুন করে ভয়াবহ হামলার পর ইরান নমনীয় হতে বাধ্য হবে। পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার টেবিলে আসতে আগ্রহী হবে।

গত শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে চালানো হামলার বিরুদ্ধে অবস্থা নিয়েছেন বেশির ভাগ মার্কিন নাগরিক। এমনটাই উঠে এসেছে পত্রপত্রিকার জনমত জরিপগুলোয়।

ইরানে হামলা চালিয়ে ট্রাম্প শুধু আফগানিস্তান, ইরাক, ইয়েমেন, লিবিয়া ও সিরিয়ায় তাঁর পূর্বসূরিদের ভুলের পুনরাবৃত্তিই করেননি; বরং নিজের পক্ষ থেকেও নতুন কিছু ভুল যোগ করেছেন।

ইরানজুড়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভের প্রায় দুই সপ্তাহ পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর পছন্দের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথে একটি বার্তা দেন। তিনি লেখেন, ‘ইরান এমন এক স্বাধীনতার দিকে তাকিয়ে আছে, যা (ইরান) আগে কখনো দেখেনি।

যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্পের নতুন চাল

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ বন্ধে আরও আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ইরানের ১০ দফার প্রস্তাব ব্যবহারে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের এই প্রস্তাবে অনাক্রমণের নিশ্চয়তা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন দাবি রয়েছে।

ইরান-ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে লেখক বেহরুজ ঘামারি–তাবরিজি দেখছেন, বাইরের আক্রমণে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র পতনযোগ্য নয়। ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বোমাহামলা যুদ্ধও একই ভুল পুনরাবৃত্তি করছে। ইরানিরা বুঝেছে, রাষ্ট্রের পাপের জন্য জাতীয় শাস্তি গ্রহণযোগ্য নয়।

উপসাগরীয় দেশ ওমানে এক দিনের এ আলোচনায় ‘ইতিবাচক পরিবেশের’ প্রশংসা করেছে তেহরান।

ইরানের বিক্ষোভকে দেশটির সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি হিসেবে দেখছে।

হামলায় ইরানে ৩৬ বছর ধরে নেতৃত্ব দেওয়া দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন।

আজ শনিবার সিঙ্গাপুরে এ কথা বলেছেন হেগসেথ।

৯২ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে ইরানই জয়ী হয়েছে।