
ঋণ করে কোরবানি: ‘ইসলামিক’ নাকি সামাজিক
যিনি তাৎক্ষণিক বা জরুরি ঋণে জর্জরিত এবং পাওনাদার টাকা চাচ্ছে, তার জন্য কোরবানির টাকা জমিয়ে না রেখে আগে ঋণ শোধ করা ফরজ। ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করাকে জুলুম।

যিনি তাৎক্ষণিক বা জরুরি ঋণে জর্জরিত এবং পাওনাদার টাকা চাচ্ছে, তার জন্য কোরবানির টাকা জমিয়ে না রেখে আগে ঋণ শোধ করা ফরজ। ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করাকে জুলুম।

লাখো মানুষ একই রঙে, একই ঢঙে একই খোদার সমীপে হাজির হন। এই মহামিলনের পেছনে যে অন্তর্নিহিত চেতনা কাজ করে, তা হলো প্রকৃত আধ্যাত্মিকতা এবং নিখাদ বিশ্বভ্রাতৃত্ব।

১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো ব্যক্তির মাঝে পাঁচটি শর্ত পাওয়া গেলে তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব

শরিকানা কোরবানির সঙ্গে জড়িয়ে আছে শরিয়তের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিধান। এসব বিষয়ে সচেতন না হলে কোরবানি সহিহ হওয়া নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

যে মানুষটি তার পরিবারের কাছে সমাদৃত নয়, জগতের চোখে সে সফল হলেও দিনশেষে সে ব্যর্থ। মহানবী (সা.) শিখিয়েছেন কীভাবে কর্মব্যস্ত জীবনের মাঝেও পরিবারকে সময় দিতে হয়।

ব্যক্তিগত জীবন, সামাজিক বাস্তবতা কিংবা অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই—সবক্ষেত্রেই সফলতা অর্জনের জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয় এবং কিছু প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে চলতে হয়।

হাজার বছর ধরে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন উম্মাহর কত মুফাসসির, কত মুহাদ্দিস, কত ইমাম, কত মুজতাহিদ, কত অলি-আউলিয়া! কত কান্না ছড়িয়ে আছে আরাফার বাতাসে!

হজে গিয়ে সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয় সমতার শক্তি। সেখানে সবাই একই পোশাকে, একই পথে। নারী-পুরুষ বা ধনী-গরিবের সব বিভাজন সেখানে মুছে যায়।

কারও সঙ্গে আমার পরিচয় নেই, অথচ মনে হচ্ছে এদের আমি জন্মান্তর ধরে চিনি। তুর্কি, চেচেন, তাজিক, আফ্রিকান আর আরবদের অভিন্ন পরিচয়—তারা মুসলিম।

রমজান মাস যেমন ইবাদতের মাস, তেমনি দিনের মধ্যে রমজান ব্যতীত বছরের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দিনগুলোর অন্যতম হলো জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন।

ইসলামি ইতিহাসে কারাগার ছিল শাস্তি ও সহমর্মিতার মিশ্রণ। বন্দিরা পরস্পর খাবার ভাগ করে সাম্যবোধ গড়ে তুলতেন, শাসকরা নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা করতেন। মমলুক সুলতান জহির বারকুক রমজানে প্রতিদিন ২৫টি গরু জবাই করে বন্দিদের মাংস-রুটি বিতরণ করতেন।

ইসলামি ইতিহাসে কারাগার কীভাবে মুসলিম মনীষীদের জ্ঞানসাধনার কেন্দ্র হয়ে ওঠে, তা তৃতীয় পর্বে বর্ণিত। ইমাম সারাখসি, ইবনে তাইমিয়া প্রমুখ কারাবন্দী অবস্থায় অমর রচনা রচনা করেন। জেলের নির্জনতা তাঁদের জন্য ছিল গবেষণার আশ্রয়।