
হরমুজ প্রণালি খুলতে বড় কিছু ছাড় দিতে হচ্ছে ট্রাম্পকে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

এপ্রিলের শুরুতে উভয় পক্ষ একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে উপনীত হয়

যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা করতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভি; যদিও ইউরেনিয়ামের মজুত এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার মূল বিরোধগুলো এখনো কাটেনি।

তাইওয়ানের কাছে ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের অস্ত্র আপাতত বিক্রি করছে না যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জন্য গোলাবারুদের মজুত ধরে রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।

ইরানে যুদ্ধের দিনগুলোতেও বাংলাদেশের মানুষের খোঁজখবর ও সহমর্মিতা তাঁকে মুগ্ধ করেছে। নিজের অনুভূতির কথা লিখেছেন মুর্তজা অতাশ জমজম।

ইরান হরমুজ প্রণালীর সাবমেরিন কেব্লে টোল আরোপ করে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে চায়।

সৌদি আরব ও আমিরাত—দুই দেশের কাছেই এ অঞ্চলের সবচেয়ে আধুনিক এবং সুসজ্জিত বিমান বাহিনী রয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র চীনের সাহায্য চাইছে ইরানের ওপর প্রভাব খাটাতে। বাণিজ্য, তাইওয়ান ও অর্থনৈতিক নির্ভরতার মধ্যে বিশ্বের নতুন সমীকরণ ফুটে উঠছে।

মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন বলছে, হামলা সত্ত্বেও ইরানের ৯০% ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি সচল এবং ৭০% মজুত অক্ষত। চলতি মে মাসের শুরুতে তৈরি এ প্রতিবেদন নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশ করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবির বিপরীতে ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চীনের সাহায্যের দরকার নেই বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে এবং পাকিস্তান, ইরাকের সঙ্গে চুক্তি করেছে। অন্য দেশগুলোও এখন ইরানের সঙ্গে চুক্তির উপায় খুঁজছে।

ইরান যুদ্ধে নিজের অদূরদর্শিতার ফলে ফাঁদে আটকে পড়েছেন ট্রাম্প। ইরানের তরুণ প্রজন্ম শাসকদের মৌলবাদ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং অর্থনৈতিক সংকটে জনক্ষোভ তুঙ্গে। ট্রাম্পের সামনে এখন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চ্যালেঞ্জ।