
হরমুজের গভীরে আরেক শক্তিতে নজর ইরানের, এর প্রভাবও হবে দুনিয়াজোড়া
ইরান হরমুজ প্রণালীর সাবমেরিন কেব্লে টোল আরোপ করে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে চায়।

ইরান হরমুজ প্রণালীর সাবমেরিন কেব্লে টোল আরোপ করে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে চায়।

ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছেন। ইরান থেকে ২০০ কর্মী উদ্ধার করা হয়েছে, নতুন কর্মী পাঠানো কমেছে ৫০ শতাংশ। ফিরে আসা কর্মীরা পুনর্বাসনের জন্য সরকারি সহায়তা চাইছেন।

ইরানে অভিযানের জন্য টানা চাপ দিয়ে আসছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তারপরই যুদ্ধে নামলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ বন্ধে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান সমঝোতা আলোচনায় অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন দুই দেশের কর্মকর্তারা।

যুদ্ধের বিভিন্ন দিক যাচাই করে যুক্তরাষ্ট্র দেখেছে, এই যুদ্ধে তাদের জেতার সম্ভাবনা খুব কম।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধ করতে পাকিস্তান, মিসর ও তুরস্ক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়েছে। এ সংঘাত আর কেবল আঞ্চলিক সীমার ভেতর সীমাবদ্ধ নেই; এর অভিঘাত পৌঁছে গেছে বৈশ্বিক স্তরে।

ইরান যুদ্ধে কোনো পক্ষের জয় নেই, সবাই হেরে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল থেকে শুরু করে ইউরোপ, চীন, ভারত ও বাংলাদেশ—সবার অর্থনৈতিক, সামরিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হচ্ছে। এই ‘উলঙ্গ রাজা’ যুদ্ধে শেষে কেউ জয়ী থাকবে না।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পরই ইসরায়েলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানে আলোচনা চললেও মার্কিন হামলা যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো শান্তিচুক্তি হতে হলে একটি ‘ইসরায়েল বাধা’ টপকাতে হবে।

ইরান মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ‘প্রতিরোধ সমীকরণ’ তৈরি করতে চাইছে। সেই অনুযায়ী, লেবাননের যেকোনো জায়গায় ইসরায়েল হামলা চালালে ইরান সরাসরি তার ওপর পাল্টা আঘাত হানবে।