
ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির পক্ষে দুজন আইনজীবী দেবে রাষ্ট্র
মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির পক্ষে লড়ার জন্য দুজন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির পক্ষে লড়ার জন্য দুজন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

নাগরিক সংবাদ-এ জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: ns@prothomalo.com

জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব টরন্টো দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কমিউনিটির ঐক্য ও দেশপ্রেম জাগ্রত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

অভ্যুত্থানের চেতনা কতখানি বেহাত হলো, সে বিষয়ে সন্দিহান করে তোলে। কেননা, জুলাইয়ের সময় ‘বৈষম্যহীন’, ‘নতুন বন্দোবস্ত’ ও ‘ইনসাফের’ জন্যই সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। দিন শেষে মানুষ শান্তি চায়, চায় জীবনমানের দৃশ্যমান উন্নতি। এই চাওয়ার কতখানি পেলাম আমরা, তা নৈর্ব্যক্তিকভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি।

বর্তমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে পরমাণু অস্ত্রের পুনরুজ্জীবিতের হুমকির সম্পর্ক ১৯৬২ সালের কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের পর আর কখনো এত গভীর ও জটিল হয়ে ওঠেনি।

প্রবাসের মাটিতে বাংলা সংস্কৃতি-সাহিত্যকে যত্নের সঙ্গেই লালন-পালন করতে হবে। বাংলাকে ব্যাপকভাবে প্রচার ও তার প্রসার ঘটাতে প্রবাসী সব বাঙালিকে নিতে হবে গুরুদায়িত্ব। তাদেরই ভেবে বের করতে হবে যথাসম্ভব নতুন উপায়।

আগেকার দিনে নেশার জন্য মানুষকে কোথাও যেতে হতো, যেমন তাসের আড্ডা বা নির্দিষ্ট কোনো স্থান। কিন্তু প্রযুক্তি এখন আমাদের পকেটে থাকে। আপনি একটা গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ দেখতে ফোন হাতে

আমার জীবনে কোনো কিছুরই তাগিদ নেই। ছেড়ে আসা ঘর আর কিছু বইপত্তর ছাড়া কিছুই ছিল না কখনো। কিন্তু প্রতিবার শুরু করতে হয় বলেই শুরু করা।

তারকাখ্যাতির মধ্যেও ঘরোয়া জীবনের টান কখনো ছাড়েননি জয়া। সম্প্রতি ফেসবুকে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তাঁর সেই চেনা, স্বাভাবিক জীবনযাপন আবারও মুগ্ধ করেছে ভক্তদের।

জর্ডি লিপে-ম্যাকগ্র বলেন, ‘সাত বছরে সাতটি মহাদেশ ঘুরে দেখা পরিকল্পনা করে হয়নি। আমরা ভ্রমণ করি, কারণ, ভ্রমণই আমাদের জীবনধারা।’

চট্টগ্রাম নগরে খতনা করাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে সাত বছরের শিশু মোহাম্মদ মোস্তফা। গত শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে সার্জারির জন্য তাকে ভর্তি করা হয়। সঙ্গে ছিলেন মা–বাবা। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে হাসিমুখে ছবিও তুলেছিল শিশুটি। সেই ছবিই এখন পরিবারের কাছে আজীবনের শেষ স্মৃতি। আজ মঙ্গলবার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

পদ্মা নদীর ধারে জেলের সংসার হোক কিংবা মধ্যবিত্ত জীবনের টানাপোড়েন—চম্পা পর্দায় এলেই দর্শকের মনে হতো, চরিত্রটা যেন সত্যিই তাঁর শরীর-মনে বাসা বেঁধে আছে।