
‘উইল টু ফাইট’: যুদ্ধে কেন ইরানই জয়ী হবে
বিখ্যাত সামরিক তাত্ত্বিক কার্ল ফন ক্লজউইটজ বলেছিলেন, যুদ্ধ হলো মূলত ইচ্ছাশক্তির সংঘাত।

বিখ্যাত সামরিক তাত্ত্বিক কার্ল ফন ক্লজউইটজ বলেছিলেন, যুদ্ধ হলো মূলত ইচ্ছাশক্তির সংঘাত।

সরকারের উচ্চপর্যায়ের নেতৃত্ব ও সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা নিহত হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান লারিজানি কার্যত দেশটির নেতা হয়ে উঠেছিলেন।

চীন এই যুদ্ধকে চরম রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক উত্তেজনা এবং সামরিক হুমকি উভয় হিসেবেই দেখছে।

ইরান যুদ্ধে ধর্মের কার্ড যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকেও বিভক্ত করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মিত্রদেশগুলো সহায়তা না দিলে সামরিক জোট ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

এই যুদ্ধের খরচ শুধু অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জামে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব ইতিমধ্যেই সাধারণ মার্কিন নাগরিকের জীবনে পড়তে শুরু করেছে।

কার্ল ফন ক্লাউজেভিৎস (১৭৮০-১৮৩১) প্রুশিয়ার একজন জেনারেল ও সামরিক তত্ত্ববিদ ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকমের দাবি, হামলায় তারা দ্বীপটিতে থাকা ইরানের নৌ মাইন মজুত কেন্দ্র, ক্ষেপণাস্ত্র বাংকারসহ ৯০টির বেশি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দায়িত্বে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কমান্ডের (সেন্টকম) বাইরে অন্য কমান্ডে থাকা কর্মকর্তাদের এই হামলার ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইরানের নিজস্ব সামরিক নজরদারি স্যাটেলাইট খুবই সীমিত। খোলা সমুদ্রে দ্রুতগতির নৌবহর অনুসরণ করার জন্য তা যথেষ্ট নয়। রাশিয়ার ক্ষেত্রে সেই সীমাবদ্ধতা নেই।

মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ইরান সংঘাত দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে। অন্যদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ টানা কয়েক বছর ধরে বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার ও খাদ্য সরবরাহব্যবস্থাকে অস্থির করে রেখেছে। এই সংঘাতগুলো শুধু আঞ্চলিক সামরিক দ্বন্দ্ব নয়; এর প্রভাব এখন বৈশ্বিক অর্থনীতি থেকে শুরু করে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা আর জীবনযাত্রায় সরাসরি আঘাত হানে।

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে আসছে ইরান।