
চুক্তির আশা দেখছেন ট্রাম্প, ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা স্থগিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার তিনি ইরানে নতুন করে বড় হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার তিনি ইরানে নতুন করে বড় হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল সোমবার সকালে দ্য নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের পথে রয়েছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আল–জাজিরার সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যেকোনো মূল্যে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জিত হবে। ইরানকে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগ করতে হবে বলে দাবি করেন তিনি। ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করে জোট পুনর্মূল্যায়নের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

হরমুজ প্রণালীতে সোমবার মার্কিন সামরিক অবরোধ শুরু হয়েছে। ১৫টির বেশি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানি জাহাজের আক্রমণের হুমকি দিয়েছেন। ইরানও কঠোর জবাবি হুঁশিয়ারি জানিয়েছে।

ইরানে ভূপাতিত মার্কিন এফ–১৫ই যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রুকে উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্র ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান চালায়। এতে নিজেদের দুটি উড়োজাহাজ ধ্বংস করতে হয়েছে। ট্রাম্প এটিকে সামরিক ইতিহাসের জটিল অভিযান বলে উল্লেখ করেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেল দখলকে তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার বলে ঘোষণা করেছেন। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি খারগ দ্বীপ দখলের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি জোরদার হয়েছে এবং তেলের দাম আকাশছোঁয়া।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মিত্রদেশগুলো সহায়তা না দিলে সামরিক জোট ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্যোগে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরান বলেছে, যেকোনো হামলার জবাবে তারা সরাসরি মার্কিন ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজে হামলা চালাবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের স্বঘোষিত ‘যুবরাজ’ রেজা পাহলভির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন।

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মেটাতে’ ওয়াশিংটন এ পদক্ষেপ নেওয়ার পর ব্যবসায়ীরা এ তথ্য জানিয়েছেন।

ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও নতুন দর-কষাকষির সম্ভাবনা রয়েছে। লেখকের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, ইরানিদের কাছে চুক্তি মানেই নতুন আলোচনার শুরু। ট্রাম্পের চরম অবস্থান এবং ইরানের কৌশল টেকসই শান্তি বাধা দিচ্ছে।

কলম্বোয় মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জেন হাওয়েল শ্রীলঙ্কা সরকারকে স্পষ্ট করে বলেছেন, বুশেহর জাহাজের ক্রু ও ডেনা থেকে বেঁচে ফেরা ৩২ সদস্যের কাউকেই ইরানে ফেরত পাঠানো উচিত হবে না।