
লুটপাট আর টাকা পাচারের কারণে ৭-৮টি ব্যাংক অচল অবস্থায় রয়েছে: পানিসম্পদমন্ত্রী
লক্ষ্মীপুরে দোয়া অনুষ্ঠানে দেশের ব্যাংক খাতের অচলাবস্থা নিয়ে বক্তব্য দেন পানিসম্পদমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে দোয়া অনুষ্ঠানে দেশের ব্যাংক খাতের অচলাবস্থা নিয়ে বক্তব্য দেন পানিসম্পদমন্ত্রী

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে যেভাবে অপসারণ করা হয়েছে, তা নিয়ে চরম সমালোচনা তৈরি হয়েছে। অর্থনীতি ও ব্যাংক খাতের সংকট ও অনিশ্চয়তা কাটাতে তিনি কী করেছেন বা কী করেননি অর্থাৎ তাঁর সাফল্য ও ব্যর্থতার বিষয়টি নিয়েও পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা চলছে। অর্থনীতিবিদদের কাছে তিনি প্রশংসনীয় হলেও ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহকদের কাছে তিনি সমালোচিত। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যাংকের গ্রাহকদের বড় অভিযোগ, তাঁর কারণে তাঁরা ব্যাংক থেকে তাঁদের আমানত তুলতে পারছিলেন না। আহসান এইচ মনসুরই তাঁদের টাকা আটকে দিয়েছেন। বিষয়টি কেমন? আসুন দেখা যাক।

সদ্য বিদায়ী গভর্নর কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়ে রিজার্ভ ও ডলার–সংকটসহ তখনকার সংকটগুলো সামাল দিয়েছেন। এখন নতুন গভর্নরকে চলমান সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করে ব্যাংক খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

একজন ঋণগ্রস্ত ব্যবসায়ী, পোশাকশিল্প ও রিহ্যাবের মতো খাতে নীতি দখলের সুবিধাভোগী, এমন একজনকে গভর্নর পদে নিয়োগের প্রভাব ব্যাংক খাতের জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তা সরকারকে ভেবে দেখার অনুরোধ করেছে টিআইবি।

নতুন গভর্নরের প্রতি আস্থা রাখতে চান ব্যবসায়ীরা। তাঁরা মনে করেন, ব্যাংকঋণের সুদহার কমানো, ব্যাংক খাতের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ফেরানোসহ আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন কার্যকর উদ্যোগ নেবেন।

শওকত আজিজ রাসেল বলেন, এই খাতে ২২–২৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ রয়েছে। এসব বিনিয়োগ অচল হয়ে গেলে ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাবে।