
সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী জিতলেন, তাঁরা কারা
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। জেলার সব আসনে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পরাজিত করে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

জামায়াতে ইসলামীর নেতা সৈয়দ জয়নুল আবেদীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মোট ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়েছেন।

ফজলুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৪ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-৪ (নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার একাংশ) আসনে ভোট গ্রহণ শেষে একটি ভোটকেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রবেশকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, পোলিং এজেন্টের সংখ্যার মাধ্যমে প্রার্থীদের সাংগঠনিক শক্তি ও সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

বক্তব্যে নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরেন আলী আসগার। জানান, তিনি শান্তিবাদী সব মানুষের জিম্মাদার হবেন।

ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মুঠোফোন নেওয়া নিয়ে ভুল–বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

জাতীয় পার্টির টানা দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধা এবার লাঙ্গল প্রতীক পেয়েও শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

সব মিলিয়ে এ আসনে চতুর্মুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। উপজেলা ঘুরে চারজন প্রার্থীরই সমান প্রচারণা দেখা গেল।

প্রতিটি গাড়িতে চালকসহ (বৈধ লাইসেন্সধারী) সর্বোচ্চ পাঁচজন অবস্থান করতে পারবেন। প্রার্থীর নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত গানম্যান থাকলে তাঁকেও এই পাঁচজনের মধ্যে গণ্য করা হবে।