
দালিয়ান থেকে বুলেট ট্রেনে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর
এই সফরে তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।

এই সফরে তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান এই নৈশভোজে অংশ নেন।

রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস চেক সরকারের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, দ্বিতীয় শ্রেণি বা তৃতীয় শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীকে বই পড়তে দিলে সে যেন তা বুঝে পড়তে পারে, নিজের ভাষায় তা প্রকাশ করতে পারে এবং শেখার প্রতি আগ্রহী হয়, সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছেন তাঁরা।

কারবালার বহু শতাব্দী আগে থেকে আশুরার একটি আলাদা ইতিহাস আছে—ইহুদি ও ইসলামি ঐতিহ্যের মধ্যকার একটি ধর্মতাত্ত্বিক সংযোগের ইতিহাস।

বর্তমান যুগে অগ্রসর বিদ্যাচর্চাকে অবহেলা করে মাদ্রাসাশিক্ষার প্রাচীন পাঠ্যক্রমগুলোর মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রেখে টিকে থাকা যে অসম্ভব, আলেম–সমাজ তা অনুধাবন করতে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ধর্মের ক্ষেত্রেও যে যুক্তি, মননশীলতা, জ্ঞান–বিজ্ঞান ও তর্কবিতর্কের অবকাশ রয়েছে, তার এক নীরব সাক্ষী অতীতের মাদ্রাসার পাঠ্যক্রম, যেখানে যুক্তিবিজ্ঞান ও তর্কশাস্ত্র (মানতেক), দর্শন (ফালসাফা), স্বাধীন বুদ্ধিবৃত্তিক প্রচেষ্টা ও নিত্যনতুন সমস্যাগুলোর সৃজনশীল সমাধান (ইজতেহাদ) ইত্যাদি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হতো।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনকে কেন্দ্র করে আমাদের সমাজে তৈরি হয়েছে অনেক ভিত্তিহীন কাহিনি, যা লোকমুখে ছড়াতে ছড়াতে ধর্মীয় বিশ্বাসের রূপ নিয়েছে।

কার্যপ্রণালি বিধি থেকে ‘ঝুঁকিয়া’ শব্দ বাদ থাকার কথা উল্লেখ করে স্পিকার বলেছেন, সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী স্পিকারের চেয়ারের প্রতি সম্মান জানাবেন।

শিক্ষার সুযোগ অনগ্রসর এলাকার জনসাধারণের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেলে সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের পথ তৈরি হবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুবাইদা রহমান।

পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশিদের নাম করে মুসলিমদের তাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ধর্মীয় উত্তেজনাকে বাড়াচ্ছে।

বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে রাজশাহীতে ব্যতিক্রমধর্মী মোটরসাইকেল ও কার র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। দলীয় বিভাজনের বাইরে গিয়ে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেনসহ বিভিন্ন দলের সমর্থকেরা একসঙ্গে এ আয়োজনে অংশ নেন।

ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজসহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তথাকথিত ‘ধর্মান্তরবিরোধী সেল’ গঠন করার নির্দেশ দিয়েছেন।