
ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবেও সন্তুষ্ট নন ট্রাম্প, তীব্র হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুত হচ্ছে তেহরান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান গত ৮ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর থেকে সাময়িকভাবে শত্রুতা স্থগিত রেখেছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান গত ৮ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর থেকে সাময়িকভাবে শত্রুতা স্থগিত রেখেছে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারক সই

যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা ইরান যুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতি ওলটপালট হলেও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের বিরুদ্ধেও ‘টাকো ট্রাম্প’ একই রকম হুমকি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে এমনভাবে গুঁড়িয়ে দেবেন যে ইরানি সভ্যতা বলে কিছু থাকবে না।

ইসলামাবাদে প্রথম বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনা রয়েছে অনিশ্চয়তায়। মার্কিন প্রসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তেহরানের একের পর এক অপরিপক্ব ও অগোছালো বক্তব্য এ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

সিএনএনের উপস্থাপক ডানা ব্যাশকে টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু সরকারের অনেকেই ইতিমধ্যে বলে ফেলেছেন, ওল্ড টেস্টামেন্টে ‘আর্মাগেডন’ বা ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের’ প্রেক্ষাপট ইরান যুদ্ধের মধ্য দিয়েই সূচিত হতে যাচ্ছে।

উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য—সবটাই এখন এক ভয়াবহ ও অযৌক্তিক আগ্রাসনের মঞ্চে পরিণত হওয়ার আশঙ্কায় কাঁপছে।

পাল্টাপাল্টি হামলা সত্ত্বেও ইরানি সূত্র ও পশ্চিমা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি প্রাথমিক শান্তিচুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যকার পরোক্ষ আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে।

জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্প যদি স্থল সেনা মোতায়েন করেন, তাহলে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব আরও বাড়বে।

এখন পর্যন্ত কোনো মার্কিন স্থল সেনা ইরানের অভ্যন্তরে ঢোকেনি।

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেন না। তিনি শক্তি প্রয়োগ, উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে এমন বাস্তবতাকে চূর্ণবিচূর্ণ করার চেষ্টা করেন। নিজের টিকে থাকার লড়াইয়ে যুদ্ধই তাঁর একমাত্র কৌশলগত হাতিয়ার।