
জ্বালানি মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোরতা অবশ্যই জরুরি
সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও জ্বালানি মজুতদারদের কারণে নাগরিকরা কষ্ট পোহাচ্ছেন। বোরো চাষে সেচের জন্য ডিজেলের সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারকে কঠোর নজরদারি ও আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় বাড়াতে হবে।

সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও জ্বালানি মজুতদারদের কারণে নাগরিকরা কষ্ট পোহাচ্ছেন। বোরো চাষে সেচের জন্য ডিজেলের সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারকে কঠোর নজরদারি ও আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় বাড়াতে হবে।

রাজধানীতে জ্বালানির তীব্র সংকটে চালকরা কষ্ট পাচ্ছেন। বনশ্রীর আকরামুল ইসলাম রাত তিনটে থেকে সাত ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে গাড়ির তেল পেয়েছেন। নিয়োগকর্তার ছেলেকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি।

চলতি বছরের শুরুর দিকে যখন মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ল এবং হরমুজ প্রণালি হুমকির মুখে পড়ল, তখন জ্বালানি আমদানিকারক অধিকাংশ দেশ বড় ধরনের সংকটে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

সিলেট মহানগর এলাকায় মোটরসাইকেলের জন্য জ্বালানি তেল সংগ্রহে তিনটি শর্ত আরোপ করেছে পুলিশ।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) এবং ব্রেন্ট ক্রুড অপরিশোধিত তেলের দাম আজ শুক্রবার ৩ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি যে যুদ্ধ সৃষ্টি হয়েছে, বিশ্বজুড়েই তার অভাবনীয় প্রভাব পড়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে আলোচনা আগামী দুই দিনের মধ্যে পুনরায় পাকিস্তানে শুরু হতে পারে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে কঠোর হামলার হুমকির পর বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৯ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ডব্লিউটিআই তেলও ১১০ ডলারের ওপরে ওঠে। ইরান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে সরবরাহ ব্যাহত।

চীন ইরানি তেল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে। এটি কেবল প্রতিবাদ নয়, বরং সরাসরি আইন করে আমেরিকার চাপ ভাঙার প্রয়াস। এতে দুই মহাশক্তির লড়াই নতুন মাত্রা লাভ করছে।

নড়াইলে জ্বালানি তেল না পাওয়ায় এক ফিলিংস্টেশনের ব্যবস্থাপককে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে বাগবিতণ্ডার পর আরেক ঘটনা ঘটেছে। শনিবার মধ্যরাতে তুলারামপুরের তানভীর ফিলিং স্টেশনের সামনে নাহিদ নামে একজন নিহত হন। তার বন্ধু জিহাদুল মোল্যা গুরুতর আহত।

রাজধানীর কয়েকটি পাম্প ঘুরে গতকাল বৃহস্পতিবারের তুলনায় আজ শুক্রবার জ্বালানি তেলের জন্য ভিড় কিছুটা কম দেখা গেছে।

২০২১ সালে ভারতের তেল আমদানিতে রাশিয়ার অংশ ছিল ২ শতাংশের কম। ২০২৩ সালে তা বেড়ে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ হয়।