
ইরান ‘শক্তিশালী, একইসঙ্গে অহংকারী’ বলে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করছে না
ট্রাম্প বলেছেন, শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তিতে আসা ছাড়া ইরানের সামনে ‘কোনো বিকল্প নেই’।

ট্রাম্প বলেছেন, শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তিতে আসা ছাড়া ইরানের সামনে ‘কোনো বিকল্প নেই’।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের যৌক্তিকতার অভাব এবং উভয় মিত্রের লক্ষ্যের বিরোধিতা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। ইসরায়েলের নেতানিয়াহু রাজনৈতিক সুবিধার জন্য যুদ্ধকে কাজে লাগাচ্ছেন, কিন্তু এতে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি বাড়ছে। মার্কিন সাহায্যের অনিশ্চয়তা ইসরায়েলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ।

ইরানে যৌথ হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ নেতৃত্বের উত্তরাধিকার প্রশ্নেও লারিজানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। মোজতবা খামেনিকে ক্ষমতায় আনার সম্ভাবনার বিরোধিতা করেছিলেন লারিজানি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।

গত ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হয়।

আলী খামেনির বিদায় অনুষ্ঠান আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বড় রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। এটা ১৯৮৯ সালের খোমেনির শেষযাত্রার প্রায় এক কোটি মানুষের উপস্থিতিও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইরানে সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছে বলে তো আর নেতানিয়াহুর হাত গুটিয়ে বসে থাকার উপায় নেই।

এসব প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে খ্রিষ্টান চরমপন্থার আশঙ্কাজনক বৃদ্ধির প্রমাণ দিচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ইয়েমেনের হুতিরা সরাসরি যোগ দিয়ে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। লোহিত সাগরে জ্বালানি জাহাজ বন্ধের আশঙ্কায় বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা বাড়বে। কূটনৈতিক চেষ্টা চললেও যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রীর ‘জুজুৎসু’ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখে অভাবনীয় ছাড় আদায় করেছে। আমেরিকার নিজস্ব কৌশলই এখন তার বিরুদ্ধে ফিরে আসছে। এটি ২০১৫-এর পারমাণবিক চুক্তির চেয়েও কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয়ই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় চরম আতঙ্কে আছেন প্রবাসী আহমেদ উল্লা। মঙ্গলবার মুঠোফোনে তিনি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘প্রথম যেদিন কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা হয়, সেদিন থেকেই আমরা চরম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।