
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রভাবে চলছে সাইবার যুদ্ধ
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাব বাস্তব দুনিয়া থেকে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাব বাস্তব দুনিয়া থেকে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ছে।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সহজে যুদ্ধ জয়ের ঘোষণা দিতে পারছেন না।

ইরান যুদ্ধ থেকে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর অনেক কিছু শেখার আছে। আমরা যেহেতু বড় আণবিক শক্তিসম্পন্ন প্রতিবেশী দেশের পাশেই অবস্থান করছি, তাই আমাদের প্রচলিত সক্ষমতায় ঘাটতি থাকা স্বাভাবিক।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় সপ্তাহের হামলায় বিপর্যস্ত হলেও ইরান দরকষাকষিতে শক্ত অবস্থান দাবি করছে। হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ তাদের বড় হাতিয়ার। যুদ্ধবিরতির পর নতুন কঠিন দাবি তুলেছে তেহরান।

চলমান যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনার অনুরোধ নিয়ে বিশেষ বার্তা পেয়েছে তেহরান।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে কিছুটা সুর নরম করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা করতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভি; যদিও ইউরেনিয়ামের মজুত এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার মূল বিরোধগুলো এখনো কাটেনি।

কিন্তু এমন এক মুহূর্তে গতকাল ভোরেও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের একাধিক ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইরানের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্পের নতুন চাল

বিস্ময়ের কথা, ইরানের এ সাবেক প্রেসিডেন্ট তাঁর চরম কট্টরপন্থী, ইসরায়েলবিরোধী ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত।

ইরান মনে করে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়ে আগে পিছু হটেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পই।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।